সাজসজ্জা-প্রসাধনী ও হাতখরচ মাসে ১৭ লাখ টাকা
এ যেন এক রূপকথার গল্প। যার জীবন মসৃণ তুলতুলে কাঁথায় মোড়ানো। হাত খরচের জন্য মাসে পান পাঁচ লাখ টাকা। সাজসজ্জা এবং প্রসাধনের জন্য পান ১২ লাখ টাকা। এতো টাকা যিনি দু’হাতে উড়ান, তিনি আসলে কে? কিশোরী স্যাফরন ড্রেউইট-বারলো তার নাম। হলিউডের কোনো সিনেমার তারকা নন। দুই সমকামী বাবা ব্যারি ও টোনি ড্রেউইট-বারলোর সারোগেটের সন্তান! জন্ম থেকেই মেয়েকে তারা অত্যন্ত আদরে ভরিয়ে রেখেছেন। তার হাতের আংটির দাম তিন কোটি টাকার বেশি।
একদিন যে পোশাক তিনি পরেন, সেটি আর পরের বার গায়ে দেন না! নতুন পোশাকের পাশাপাশি নতুন জুতা ও ব্যাগ তার জন্য বরাদ্দ থাকে। অবশ্য আয়েশ করে বসে থাকেন না তিনি। ইতোমধ্যেই শুরু করে দিয়েছেন নিজের ব্যবসা। ত্বকের প্রসাধনীর ব্যবসা শুরু করেছেন আট কোটি টাকা মূলধন দিয়ে।
তার ১৮তম জন্মদিনে দুই বাবা মিলে দু’টি মহার্ঘ্য রেঞ্জ রোভার উপহার দিয়েছেন। গাড়ি দুটির মূল্য ১০ কোটি টাকা। জন্মদিনে বন্ধুদের খাওয়াতে ফ্লোরিডা থেকে বিমানে করে স্যাফরন সোজা চলে যান ইংল্যান্ডে। ফ্লোরিডায় ২১ বছর না হলে মদ্যপান করা যায় না বলে সেখানে যান তিনি। তবে এমন জীবন স্যাফরন একাই পার করেন না। তার আরো পাঁচ ভাইবোন একইভাবে জীবন উপভোগ করেন! তৃতীয় বিশ্বের ঘামগন্ধের জীবনের সমান্তরালে এমন জীবনের ছবি সত্যিই স্বপ্নের মতো। অথচ স্যাফরন ও তার পরিবার একই গ্রহের বাসিন্দা। মনে এ এক অন্য গ্রহের গল্প। তবে, গল্প হলেও সত্যি।
এ যেন এক রূপকথার গল্প। যার জীবন মসৃণ তুলতুলে কাঁথায় মোড়ানো। হাত খরচের জন্য মাসে পান পাঁচ লাখ টাকা। সাজসজ্জা এবং প্রসাধনের জন্য পান ১২ লাখ টাকা। এতো টাকা যিনি দু’হাতে উড়ান, তিনি আসলে কে? কিশোরী স্যাফরন ড্রেউইট-বারলো তার নাম। হলিউডের কোনো সিনেমার তারকা নন। দুই সমকামী বাবা ব্যারি ও টোনি ড্রেউইট-বারলোর সারোগেটের সন্তান! জন্ম থেকেই মেয়েকে তারা অত্যন্ত আদরে ভরিয়ে রেখেছেন। তার হাতের আংটির দাম তিন কোটি টাকার বেশি।
একদিন যে পোশাক তিনি পরেন, সেটি আর পরের বার গায়ে দেন না! নতুন পোশাকের পাশাপাশি নতুন জুতা ও ব্যাগ তার জন্য বরাদ্দ থাকে। অবশ্য আয়েশ করে বসে থাকেন না তিনি। ইতোমধ্যেই শুরু করে দিয়েছেন নিজের ব্যবসা। ত্বকের প্রসাধনীর ব্যবসা শুরু করেছেন আট কোটি টাকা মূলধন দিয়ে।
তার ১৮তম জন্মদিনে দুই বাবা মিলে দু’টি মহার্ঘ্য রেঞ্জ রোভার উপহার দিয়েছেন। গাড়ি দুটির মূল্য ১০ কোটি টাকা। জন্মদিনে বন্ধুদের খাওয়াতে ফ্লোরিডা থেকে বিমানে করে স্যাফরন সোজা চলে যান ইংল্যান্ডে। ফ্লোরিডায় ২১ বছর না হলে মদ্যপান করা যায় না বলে সেখানে যান তিনি। তবে এমন জীবন স্যাফরন একাই পার করেন না। তার আরো পাঁচ ভাইবোন একইভাবে জীবন উপভোগ করেন! তৃতীয় বিশ্বের ঘামগন্ধের জীবনের সমান্তরালে এমন জীবনের ছবি সত্যিই স্বপ্নের মতো। অথচ স্যাফরন ও তার পরিবার একই গ্রহের বাসিন্দা। মনে এ এক অন্য গ্রহের গল্প। তবে, গল্প হলেও সত্যি।

No comments:
Post a Comment