]
বিজ্ঞানীরা বলছেন, পর্ণগ্রাফি দেখার ফলে এর প্রতিযে আসক্তি প্রবণতা তৈরি হয় তা মনকে বিক্ষিপ্ত করে তোলে। এতে মস্তিষ্কে অশুভ প্রভাব পড়ে। অশ্লীল কামনা বৃদ্ধি পায়। জার্মানির এক দল গবেষক পর্ণগ্রাফি নিয়ে তাদের গবেষণাপত্র প্রকাশ করে বলছেন, পর্ণগ্রাফি যতই দেখতে থপল কোনো মানুষ ততই তার মস্তিষ্কে এধরনের চাহিদা সৃষ্টি হয়, কিন্তু একপর্যায়ে মানুষ যৌনতার এধরনের উৎকট চিত্র দেখতে দেখতে বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে সাড়া দেয়ার শক্তি পর্যন্ত হারিয়ে ফেলে। ফিজিলোজি টুডে জার্নালে প্রকাশিত ওই প্রকাশনায় বিজ্ঞানীরা বলছেন, পর্ণগ্রাফি দেখতে দেখতে মানুষ ক্রমান্বয়ে তীব্র যৌন অনুভূতি ও চরম অভিজ্ঞতা লাভ করে এবং তার মনে আরো এধরনের বিপুল চাহিদা তৈরি হয়। ফলে এধরনের অভ্যস্ত মানুষ তার বেডরুমে যা যৌন কল্পনা করে বাস্তবে ও স্বাভাবিক যৌন জীবনে তার কোনো মিল পায় না এবং সেখানে এক চরম ঘাটতি পূরণে ব্যর্থ হয়ে সে অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করে। সে আশাহত থাকে। ধর্ষণ ও মাদকাসক্তের দিকেও সে এগিয়ে যেতে পারে। পর্ণগ্রাফি দেখে দেখে ক্রমাগত তার মস্তিষ্ক যৌনতা সম্পর্কে এমন এক চাহিদা তৈরি করে বাস্তবে তার যোগান দেয়া সম্ভব না হয়ে ওঠায় সে আরো তিরিক্ষি মেজাজের হয়ে ওঠে। একধরনের অপরাধ প্রবণতা তার মধ্যে সৃষ্টি হয়। যা সে সুযোগ পেলেই কারো ওপর অস্বাভাবিক সেই যৌন আচরণ প্রয়োগ করতে বাধ্য হয়।২০১৩ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক নিয়মিত পর্ণগ্রাফি দেখেন এমন বেশ কয়েকজন ব্যক্তির মস্তিষ্ক স্ক্যান করে দেখতে পান উত্তেজিত সব দৃশ্য দেখতে পেলেই তার মস্তিষ্ক অস্বাভাবিক চঞ্চল বা সক্রিয় হয়ে ওঠে। কিন্তু তার যোগান সে যখন পায় না তখন তীব্র হতাশায় মন তার মাদকের দিকে হাত বাড়ায়। মদ থেকে শুরু করে অনেক নেশাদ্রব্য ব্যবহার করে সে মুক্তি খুঁজতে থাকে। এর এক বছর পর একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক দল গবেষকের গবেষণায় ধরা পড়ে নিয়মিত পর্ণগ্রাফি দেখে থাকেন এমন ব্যক্তিদের সঙ্গী বা সঙ্গীনিরা যদি তা না দেখে থাকেন তখন দুজনের মধ্যে যৌনতা সম্পর্কে চাহিদা থেকে শুরু করে কাম প্রবৃত্তির একটা বিরাট পার্থক্য থাকে যা তাদের সম্পর্কে চিড় ধরাতে বাধ্য করে। কারণ যৌনতা নিয়ে দুজনের চিন্তা ও চেতনা ও আচরণের প্রভেদ থাকে ঢের বেশি।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, পর্ণগ্রাফি দেখার ফলে এর প্রতিযে আসক্তি প্রবণতা তৈরি হয় তা মনকে বিক্ষিপ্ত করে তোলে। এতে মস্তিষ্কে অশুভ প্রভাব পড়ে। অশ্লীল কামনা বৃদ্ধি পায়। জার্মানির এক দল গবেষক পর্ণগ্রাফি নিয়ে তাদের গবেষণাপত্র প্রকাশ করে বলছেন, পর্ণগ্রাফি যতই দেখতে থপল কোনো মানুষ ততই তার মস্তিষ্কে এধরনের চাহিদা সৃষ্টি হয়, কিন্তু একপর্যায়ে মানুষ যৌনতার এধরনের উৎকট চিত্র দেখতে দেখতে বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে সাড়া দেয়ার শক্তি পর্যন্ত হারিয়ে ফেলে। ফিজিলোজি টুডে জার্নালে প্রকাশিত ওই প্রকাশনায় বিজ্ঞানীরা বলছেন, পর্ণগ্রাফি দেখতে দেখতে মানুষ ক্রমান্বয়ে তীব্র যৌন অনুভূতি ও চরম অভিজ্ঞতা লাভ করে এবং তার মনে আরো এধরনের বিপুল চাহিদা তৈরি হয়। ফলে এধরনের অভ্যস্ত মানুষ তার বেডরুমে যা যৌন কল্পনা করে বাস্তবে ও স্বাভাবিক যৌন জীবনে তার কোনো মিল পায় না এবং সেখানে এক চরম ঘাটতি পূরণে ব্যর্থ হয়ে সে অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করে। সে আশাহত থাকে। ধর্ষণ ও মাদকাসক্তের দিকেও সে এগিয়ে যেতে পারে। পর্ণগ্রাফি দেখে দেখে ক্রমাগত তার মস্তিষ্ক যৌনতা সম্পর্কে এমন এক চাহিদা তৈরি করে বাস্তবে তার যোগান দেয়া সম্ভব না হয়ে ওঠায় সে আরো তিরিক্ষি মেজাজের হয়ে ওঠে। একধরনের অপরাধ প্রবণতা তার মধ্যে সৃষ্টি হয়। যা সে সুযোগ পেলেই কারো ওপর অস্বাভাবিক সেই যৌন আচরণ প্রয়োগ করতে বাধ্য হয়।২০১৩ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক নিয়মিত পর্ণগ্রাফি দেখেন এমন বেশ কয়েকজন ব্যক্তির মস্তিষ্ক স্ক্যান করে দেখতে পান উত্তেজিত সব দৃশ্য দেখতে পেলেই তার মস্তিষ্ক অস্বাভাবিক চঞ্চল বা সক্রিয় হয়ে ওঠে। কিন্তু তার যোগান সে যখন পায় না তখন তীব্র হতাশায় মন তার মাদকের দিকে হাত বাড়ায়। মদ থেকে শুরু করে অনেক নেশাদ্রব্য ব্যবহার করে সে মুক্তি খুঁজতে থাকে। এর এক বছর পর একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক দল গবেষকের গবেষণায় ধরা পড়ে নিয়মিত পর্ণগ্রাফি দেখে থাকেন এমন ব্যক্তিদের সঙ্গী বা সঙ্গীনিরা যদি তা না দেখে থাকেন তখন দুজনের মধ্যে যৌনতা সম্পর্কে চাহিদা থেকে শুরু করে কাম প্রবৃত্তির একটা বিরাট পার্থক্য থাকে যা তাদের সম্পর্কে চিড় ধরাতে বাধ্য করে। কারণ যৌনতা নিয়ে দুজনের চিন্তা ও চেতনা ও আচরণের প্রভেদ থাকে ঢের বেশি।
No comments:
Post a Comment