নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ৩১ জানুয়ারি:-প্রিয় মানুষটি যখন ‘দূরে চলে যায় তখন সম্পর্কটি কেমন হয় বা সময়গুলো কেমন কাটে? পরবাসী, প্রবাসী বা দূরবাসী যেখানেই থাকুক আপনার মনের মানুষটি, এই সম্পর্কের আবেগপ্রসূত অনুভূতিগুলো হয় অনেক গভীর। এই সম্পর্কের সবচেয়ে ভালো ৯টি দিক আপনাদের সামনে তুলে ধরছেন বিশেষজ্ঞরা।১. সম্পর্কটি অবশ্যই স্পেশালদুজন দুই প্রান্তে থেকে সম্পর্কটি ধারণ ও লালন করাটা অনেক অর্থপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে দুজন মানুষ সময় এবং দূরত্বের ভিন্নতায় থেকে একই অনুভূতি অনুভব করেন। দৈহিকভাবে দুজন যখন দীর্ঘসময় পৃথক হয়ে আছেন, তখন দুজনের প্রতি দুজনের মনের টান ব্যাপক গভীর হয়।
২. অদ্ভুত আবেগময় যোগাযোগ
দূরে থাকার ফলে দুজনের মধ্যে দারুণ যোগাযোগের প্রয়োজন হয়। দুজনের মধ্যে যখন কথোপকথন হয়, তখন তা হয় ব্যাপক আবেগপ্রসূত। তাদের কণ্ঠের আবেগ, ভালোবাসার প্রকাশ এবং অঙ্গভঙ্গী হয় প্রেমময়। তাদের মধ্যে এক-একটা টেক্সট মেসেজ হয় এক-একটা সত্যিকার ভালোবাসার গভীরতম প্রকাশ।৩. একাকীত্বের স্বাধীনতাঅবশ্যই দুজন একা থাকার স্বাধীনতাও উপভোগ করেন। আবার দুজনের থেকে দুজন বিচ্ছিন্ন থেকেও এক ভিন্নমাত্রার যন্ত্রণা উপভোগ করেন। যেহেতু প্রেমিক এবং প্রেমিকার দুজনকে সময় দিতে হয় না, সে ক্ষেত্রে তারা দুজনই পরিবার এবং নিজের কাজে বেশি সময় দিতে পারেন।৪. বিশ্বাসদুজন দূরে থেকেও দুজনকে যেভাবে বিশ্বাস করেন তা বিস্ময়কর। কাছে থেকেও যেখানে মানুষের মাঝে অহরহ অবিশ্বাসের জন্ম নেয়, সেখানে দূরে থাকার পরও বিশ্বাসের এমন চর্চা সত্যিই দারুণ এক ব্যাপার। অর্থাৎ দূর সম্পর্কের মাঝে বিশ্বাসের ব্যাপকতা অনেক বেশি থাকে। দুজন কার সঙ্গে ঘুরছে, কীভাবে সময় কাটাচ্ছে এসব নিয়ে দুজনের মধ্যে কোনো সংশয় থাকে না। কাজেই এই সম্পর্কে অবিশ্বাস্যরকম বিশ্বাসের উপস্থিতি থাকে।৫. ঘোরাঘুরিদুই প্রান্তের দুজনের মধ্যে যদি দেখা করার সুযোগ থাকে তবে এ ক্ষেত্র দুজনেরই সুন্দর সব স্থানে ঘোরাঘুরির সুযোগ সৃষ্টি হয়। যে যেখানে থাকেন সেখানে তো যাওয়া হবেই, বরং তারা নিজেরা পরিকল্পনা করে নতুন নতুন স্থানে দেখা করতে পারেন। এই সাক্ষাৎগুলো হয় দারুণ বৈচিত্র্যময় এবং রোমাঞ্চকর।
No comments:
Post a Comment