নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা,১ডিসেম্বরঃ-যুক্তরাষ্ট্রের শেতাঙ্গ নারী ভোটারদের ৫৩ শতাংশই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছেন। আমি এই নারীদের বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। এরা পুরুষদের নিয়ে অত বেশি ভাবেন না। এমনকি নিজেদের স্বামীদের নিয়েও না। আর এ কারণেই হয়তো তারা পুরুষদেরকেই প্রেসিডেন্ট বানান। ট্রাম্পের সমর্থকরা লিঙ্গ বৈষম্যের বিষয়টি সাধারণত স্বীকার করতে চান না। কিন্তু ইস্টলেক, ওহিওর ৭৪ বছর বয়সী ট্রাম্প সমর্থক এক নারী বলেন, তারা চায়না একজন নারী প্রেসিডেন্ট হোক। তারা চায়না কোনো নারী রাষ্ট্র চালানোর দায়িত্ব পাক। চোখের গোলাপি ভ্রুগুলো নাচিয়ে তিনি বলেছিলেন, এখন আমিও জানি তুমিও জান যে এটা সত্যি।
পুর্ব স্ট্রাউডসবার্গের এক মধ্যবয়সী শেতাঙ্গ নারী যিনি ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছেন তিনি বলেন, ট্রাম্প একজন স্বকামী বা আত্মরতিপ্রবণ পুরুষ। আমি জানি কারণ আমার স্বামীও সেরকমই একজন। ” অথচ তিনি ট্রাম্পকেই ভোট দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ২৪০ বছরের ইতিহাসে মাত্র আটজন প্রেসিডেন্ট ছাড়া বাকী সকলেই ছিলেন শেতাঙ্গ পুরুষ। এবার সে ইতিহাস ভাঙ্গার একটি অপূর্ব সুযোগ আসার পরও তা আর ঘটল না।তবে দুনিয়াব্যাপী এখন নারীদের ক্ষমতা বেড়ে চলায় পুরুষরা গভীরভাবে হুমকিতে পড়ে যাচ্ছে। পুরুষদের ক্ষমতার বিরুদ্ধে নারীবাদিদের সমালোচনাকে দীর্ঘদিন ধরেই পুরুষ বিদ্বেষ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়ে আসছে। কিন্তু নারীবাদিদের লড়াইটা আবার এই বিশ্বাসেই অনু্প্রাণিত যে, পুরুষদের অবস্থা আরো ভালো হতে পারে যদি নারীরা তা হতে দেন। নারীরা সমঅধিকার পেলে পুরুষরা আরো নিরাপদ, আরো সমঅধিকারপূর্ণ এবং নায্য বিশ্ব থেকে উপকৃত হবেন। তবে নারীদের এখনো শুধু চেষ্টা করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। কারণ পুরুষরা এখনো সবকিছুই অনেক বেশি নিয়ন্ত্রণ করেন। আর নারীদের অনেকেও এখনো তাদের ভালোবাসেন। আর নারীদের অন্তরঙ্গ জীবন, যেখানে তারা সবচেয়ে বেশি অরক্ষিত এবং সবচেয়ে কম যৌক্তিক তার সঙ্গে রাজনীতির সমন্বয় সাধন সবচেয়ে কঠিন কাজ। এছাড়া মাত্র দুই প্রজন্ম আগে নারী-পুরুষের সমতার ধারণা এসেছে। এখনো শুধু একসঙ্গে চলতে গিয়েই এই সমতার ধারণা অনেকে মেনে নিচ্ছেন।
No comments:
Post a Comment