বৃহস্পতিবার তাদের করা টুইটে এমন বার্তাই যেন প্রকাশ পেল।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটনের দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তবে তিনি তার স্থায়ী আবাস বদলে ফ্লোরিডার পাম বিচে চলে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, পাম বিচে স্থায়ী আবাস গড়ার সিদ্ধান্ত ট্রাম্প নিয়েছিলেন চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে। এজন্য পাম বিচ কাউন্টি ক্লার্কের সঙ্গে কাগজপত্রের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেছেন ট্রাম্প।
সব নথি জমা দেয়ার পর ট্রাম ঘোষণা দেন, আমি এখন থেকে ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের অধিবাসী।
আর ট্রাম্পের এমন ঘোষণার পরপরই যেন খুশিতে ফেটে পড়েন নিউইয়র্কের গভর্নর অ্যান্ড্রু মার্ক ক্যুমো মাইক্রোব্লগিংয়ে।
তিনি বলেন, ‘হাফ ছেড়ে বাঁচলাম। এমন তো না যে ডোনাল্ড ট্রাম্প এখানে কোনো কর দিতেন। ফ্লোরিডা, ট্রাম্প এখন শুধুই তোমার।’
একইরকম বক্তব্য টুইট করেছেন নিউইয়র্ক সিটি কউন্সিল স্পিকার কোরে জনসন।
নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, ‘নিউইর্য়ক থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বিদায়। অবশেষে স্বস্তি পেলাম।’
এদিকে, ট্রাম্প নিউইয়র্ক ছাড়ার খবরে বেশ খুশি হয়েছেন নিউইয়র্কের ডেমোক্র্যাট নেতারা।
বিষয়টি ট্রাম্পেরও জানা। তিনি জানেন, নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে তার জনপ্রিয়তা নেই বললেই চলে। ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল সে সমীকরণই জানাচ্ছে। সেই নির্বাচনে নিউইয়র্ক রাজ্যের প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন।
জনপ্রিয়তা না থাকা সত্ত্বেও নিউইয়র্ক ও তার অধিবাসীদের প্রতি আলাদা টান অনুভব করেন বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
এ নিয়ে বৃহস্পতিবার টুইটে ট্রাম্প বলেন, ‘নিউইয়র্ক ও তার অধিবাসীদের প্রতি অন্যরকম টান আছে আমার। এ অনুভূতি কখনোই কমবে না। এই রাজ্যে প্রতিবছর কয়েক মিলিয়ন ডলার কর দিই আমি। তবুও এ রাজ্যের অনেকে আমাকে পছন্দ করেন না।’
No comments:
Post a Comment