কী হচ্ছে বুঝে উঠতে পারেন না ঘটনার আকস্মিকতায় হকচকিত উপস্থিত অনেকেই। গণমাধ্যম স্কাই নিউজ এ খবর জানিয়েছে।
এরপর গান গাইতে শোনা যায় শ্যায় ব্র্যাডলির গলায় : ‘হ্যালো আবারও হ্যালো, হ্যালো আমি শেষবিদায় বলতে কল করেছি।’
শেষ হাসিটা হাসলেন শ্যায়। আর সেইসঙ্গে তাঁকে বিদায় দিতে এসে বন্ধু ও পরিবারের সদস্যরাও চোখের জল ফেলার বদলে হাসিতে ফেটে পড়লেন।
ব্র্যাডলির মেয়ে আন্দ্রিয়া ব্র্যাডলি জানান, তিন বছর ধরে অসুস্থ থাকার পর গত ৮ অক্টোবর তাঁর বাবা মারা যান। এক বছর ধরে শেষবেলার জন্য তুলে রাখা দুষ্টুমির সব পরিকল্পনা করেছিলেন ব্র্যাডলি।
আন্দ্রিয়া বলেন, ‘বাবা সব সময়ই ছিলেন প্রাণোচ্ছল। তিনি ছিলেন ব্যক্তিত্ববান এক পুরুষ।’
‘এক বছর আগে বাবা ও আমার ভাই জনাথন মিলে এসব পরিকল্পনা করে। খুব অল্প কয়েকজন এ ব্যাপারে জানত,’ যোগ করেন আন্দ্রিয়া।
আন্দ্রিয়া আরো জানান, কবর থেকে শ্যায় ব্র্যাডলির কণ্ঠস্বর শুনে শেষকৃত্যানুষ্ঠানে উপস্থিত বেশ কয়েকজন বিস্মিত হয়ে পড়েন। আগেই রেকর্ড করে রাখা শ্যায় ব্র্যাডলির কথাগুলো কবরে বসানো স্পিকারের মাধ্যমে ভেসে আসছিল বলে জানান আন্দ্রিয়া।
No comments:
Post a Comment