নানা কারণে হাত-পা ঘেমে থাকে। যেমন পারকিনসন্স ডিজিজ, থাইরয়েডে সমস্যা, ডায়বেটিস, জ্বর, শরীরে গ্লুকোজের স্বল্পতা, মেনোপোজেজ প্রভৃতি। অনেক সময় শরীরে ভিটামিনের অভাব থাকলে হাত-পা অতিরিক্ত ঘামতে পারে।
কিছু নিয়ম মেনে চললেই আপনার হাত-পা ঘামা রোধ করা সম্ভবঃ
১। পা সবসময় পরিষ্কার রাখুন।
২। বাইরে থেকে এসেই পা ধুয়ে ফেলুন। এক্ষেত্রে শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন। পা ধোয়ার পর শুকনো তোয়ালে দিয়ে পা মুছে ফেলুন।
৩। মোজা প্রতিদিন ধুয়ে দিন। ধোয়ার পর ভালো মতো শুকিয়ে তারপর ব্যবহার করুন।
৪। নিয়মিত জুতা পরিষ্কার রাখুন।
৫। চাইলে জুতায় মাঝে মধ্যে পাউডার দিয়ে রাখতে পারেন।
৬। মাঝে মধ্যে জুতা রোদে দিয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন।সম্ভব হলে কয়েক জোড়া জুতা এবং মোজা ব্যবহার করুন।
৭। আজকাল বানিজ্যিকভিত্তিতে কিছু পায়ের দূর্গন্ধ নিরোধক পাউডার পাওয়া যায়, এগুলো ব্যবহার করতে পারেন।
৮। সুতি মোজা ব্যবহার করলে ভালো কারণ সুতি মোজা ঘাম শুষে নেয়।
৯। বাজারে ঘাম শুষে নেয় এমন জুতাও পাওয়া যায়। চাইলে এমন জুতা ব্যবহার করুন।
এজন্য কোন ওষুধ খাবার দরকার হয়না।তবে যদি শীত-গ্রীষ্ম যেকোন ঋতুতে হাত-পা ঘামতে থাকে তাহলে হরমোন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
কিছু নিয়ম মেনে চললেই আপনার হাত-পা ঘামা রোধ করা সম্ভবঃ
১। পা সবসময় পরিষ্কার রাখুন।
২। বাইরে থেকে এসেই পা ধুয়ে ফেলুন। এক্ষেত্রে শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন। পা ধোয়ার পর শুকনো তোয়ালে দিয়ে পা মুছে ফেলুন।
৩। মোজা প্রতিদিন ধুয়ে দিন। ধোয়ার পর ভালো মতো শুকিয়ে তারপর ব্যবহার করুন।
৪। নিয়মিত জুতা পরিষ্কার রাখুন।
৫। চাইলে জুতায় মাঝে মধ্যে পাউডার দিয়ে রাখতে পারেন।
৬। মাঝে মধ্যে জুতা রোদে দিয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন।সম্ভব হলে কয়েক জোড়া জুতা এবং মোজা ব্যবহার করুন।
৭। আজকাল বানিজ্যিকভিত্তিতে কিছু পায়ের দূর্গন্ধ নিরোধক পাউডার পাওয়া যায়, এগুলো ব্যবহার করতে পারেন।
৮। সুতি মোজা ব্যবহার করলে ভালো কারণ সুতি মোজা ঘাম শুষে নেয়।
৯। বাজারে ঘাম শুষে নেয় এমন জুতাও পাওয়া যায়। চাইলে এমন জুতা ব্যবহার করুন।
এজন্য কোন ওষুধ খাবার দরকার হয়না।তবে যদি শীত-গ্রীষ্ম যেকোন ঋতুতে হাত-পা ঘামতে থাকে তাহলে হরমোন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
No comments:
Post a Comment