কাজে লাগলো সচেতনতা। বাড়িতে থাকা চিতাবাঘের চামড়া বনদপ্তরের হাতে তুলে দিয়ে নজির গড়লো দম্পতি - ব্রেকিং বাংলা

Breaking

Sunday, September 15, 2019

কাজে লাগলো সচেতনতা। বাড়িতে থাকা চিতাবাঘের চামড়া বনদপ্তরের হাতে তুলে দিয়ে নজির গড়লো দম্পতি

নিজস্ব প্রতিনিধি,জলপাইগুড়ি,১৫সেপ্টেম্বরঃ-কাজে লাগলো সচেতনতা। বাড়িতে থাকা চিতাবাঘের চামড়া বনদপ্তরের হাতে তুলে দিয়ে নজির গড়লো দেব দম্পতি। পূজোর আগে সম্প্রতি ঘড় সাফাই করছিলো জলপাইগুড়ি টেম্পল স্ট্রিট এলাকার বাসিন্দা দেব দম্পতি। বাড়িতে থাকা ঠাকুরদার আমলের ট্রাঙ্ক খুলতেই বেরিয়ে এলো চিতাবাঘের চামড়া। সংবাদ মাধ্যমে খবর দেখে আগে থেকে জানাই ছিলো বন্যপ্রানীর দেহাংশ বাড়িতে রাখা বে আইনি কাজ। সাথে সাথে খবর দেয় অনারারি ওয়াইল্ড লাইফ ওয়ার্ডেন সীমা চৌধুরী কে। তিনি এসে শনিবার রাতে উদ্ধার করে নিয়ে গেলো চিতাবাঘের চামড়া। জলপাইগুড়ি টেম্পল স্ট্রিট এর দেব পরিবার। দীর্ঘকাল ধরে তারা কাঠের ব্যাবসা করতো। ছোট বেলায় বাড়িতে শুনতো তাদের বাড়িতে নাকি চিতাবাঘের চামড়া আছে। পরে দু একবার তার মা কে সেই চামড়া রোদে দিতে দেখেছিলো অনিমেষ দেব। ব্যাস সেই শেষ এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ বছর। চলে গেছেন মা বাবা। সম্পত্তি ভাগ হয়েছে। তার ভাগে অন্যান্য জিনিসপত্রর সাথে একটি পুরোনো দিনের ট্রাঙ্কও পেয়েছিলেন বাড়ির ছোট ছেলে অনিমেষ দেব। অনিমেষ বাবু জানান সম্প্রতি তার স্ত্রী বলে ট্রাঙ্কটি খুলবেন। এরপর তালা ভেঙে ট্রাঙ্ক খুলতেই বেরিয়ে এলো চিতাবাঘের চামড়া। তা দেখেই নড়ে চড়ে বসেন তিনি। প্রথমে ভাবেন এটিকে ফেলে দেবেন।পরমুহূর্তে আবার ভাবেন ফেলে দিলে যিনি কুড়িয়ে পাবেন তিনি আবার যদি বিক্রি করে দেন? এরপর বনদপ্তরের অনারারি ওয়াইল্ড লাইফ ওয়ার্ডেন সীমা চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করে তার হাতে শনিবার রাতে দীর্ঘদিনের পুরোনো প্রায় দশফুট লম্বা একটি পূর্ণবয়স্ক চিতাবাঘের চামড়া তুলে দিয়ে বলেন এই ধরনের আরো অনেক প্রানী দেহাংশ হয়ত বা লোকেদের বাড়িতে আছে। জেলে যাবার ভয়ে বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছেন। তারা নির্ভয়ে বনদপ্তরের সাথে যোগাযোগ করে তা দপ্তরের হাতে তুলে দিতে পারে। বনদপ্তরের অনারারি ওয়াইল্ড লাইফ ওয়ার্ডেন সীমা চৌধুরী জানান উনি আমার সাথে যোগাযোগ করেন। এরপর আমি আজ এসে চিতাবাঘের চামড়া টি নিয়ে গেলাম। এই কাজ আমাদের লাগাতার সচেতনতা প্রচারের ফল। আজকের এই ধরনের একটি কাজ করতে পেরে ভালো লাগলো। সংবাদ মাধ্যমের মধ্যে দিয়ে একটি ম্যাসেজ দিতে চাই। যদি কারো বাড়িতে এই ধরনের প্রানী দেহাংশ থেকে থাকে তবে তা বনদপ্তর কে জানালে বনদপ্তর তা উদ্ধার করে নেবে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad