ভারতীয় বাঙালী ললনা পাওলি দাম। পর্দায় যিনি সাহসী দৃশ্যে অভিনয় করে সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন বহুবার। নিজ অভিনয় গুণে আবার প্রশংসিতও হয়েছেন অনেকবার। কলকাতার ছোট ও বড় পর্দার সাহসী অভিনেত্রী হিসেবে স্বীকৃত পাওলি দাম। অভিনয় করেছেন মুম্বাইয়ের হিন্দী এবং ঢাকার বাংলা ছবিতেও। আর তাই বাংলাদেশী দর্শকদের কাছেও পাওলি দাম বিশেষ ভাবে সুপরিচিত।
পাওলি দাম সম্প্রতি নিজের খোলামেলা পর্দা উপস্থিত প্রসঙ্গে কথা বলেন কলকাতার একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে। সেখানে তিনি বলেন, আমার খোলামেলা পর্দা উপস্থিতি ও চরিত্র নিয়ে যারা মাথা ঘামায়, আসলে তাদের সত্যিকার অর্থে কোনো কাজকর্ম নেই বলে আমি মনে করি। আমি এসবে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। তাই তাদের সমালোচনা নিয়ে আমি ভাবিত নই। তারকাদের নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হবেই। তবে সেই সমালোচনায় যদি চলচ্চিত্রাঙ্গনের লোকজন জড়িত হয়, তখন একটু খারাপ লাগে আর কী!
ওই গণমাধ্যমে পাওলি দাম আরও বলেন, যারা বলে বেড়ায় আমি বাঙালী হয়েও বাঙালিয়ানা বেইজ্জতি করেছি, তারা কিন্তু সত্যিই ভুল করছে। আমার চেয়ে বেশি বাঙালী কেউ নেই। আর তাদের এও বলে রাখি, আমি একজন বাঙালীর পাশাপাশি একজন অভিনেত্রীও। তাই আমার মধ্যে সব সময়ই দুটো সত্ত্বা কাজ করে। পর্দাকন্যা পাওলি সত্যিকারের পাওলি নয়। অভিনয়ের সময় আমি তো সত্যিকারের আমি থাকি না। নিজের অভিনীত চরিত্রের মাঝে মিশে থাকি। বলতে পারেন, ওটা অন্য এক পাওলি। একটি চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে ওই চরিত্রের প্রয়োজনে যতটুকু কাপড় খুলতে হয়, অভিনেত্রী পাওলি সেটা খোলে। আমি বলে রাখি – অভিনয়ের প্রয়োজনে ক্যামেরার সামনে যতটা কাপড় খুলতে হয়, ততটা খুলেছি, খুলবোও। কখনো এটা নিয়ে অভিনেত্রী পাওলির মাঝে নেতিবাচক কোন ভাবনা নেই।
টেলিভিশন অভিনয় থেকে চলচ্চিত্রে আসার পর থেকেই পাওলি দাম পর্দায় নগ্নতা ছড়ানোর অভিযোগে বিভিন্ন সময়ে অভিযুক্ত হয়ে আসছেন। মুম্বাইয়ের হিন্দী ছবি “হেট স্টোরি”তে খোলামেলা পর্দা উপস্থিতি দিয়ে ব্যাপক ভাবে আলোচিত সমালোচিত হয়েছিলেন এই কৃষ্ণ সুন্দরী।
No comments:
Post a Comment