যৌন মিলনের মুহূর্তকে আরও উপভোগ্য করে তোলা যায় কি ? - ব্রেকিং বাংলা

Breaking

Thursday, August 29, 2019

যৌন মিলনের মুহূর্তকে আরও উপভোগ্য করে তোলা যায় কি ?




পর্নোগ্রাফির দর্শক মানে শুধুই পুরুষ নয়, লক্ষ লক্ষ মেয়েরাও এখন নীলছবির ভক্ত।সমীক্ষা বলছে, হাজার হাজার বাঙালি মহিলার মোবাইল, ল্যাপটপে ভরতি নীল ছবির ভিডিও ক্লিপ। কেউ যৌনতার নয়া কলাকৌশল শিখতে পর্নোগ্রাফিতে মজেছেন। কেউ বাস্তবজীবনে সঙ্গীর অভাব মেটাতে পর্ন দেখেই অর্গ্যাজম করছেন। বহু মহিলাই বিছানায় ‘প্যাসিভ’ ভূমিকা ছেড়ে বেরতে পর্নোগ্রাফির সাহায্য নিচ্ছেন। চরম সুখের মুহূর্তে সক্রিয় ভূমিকা নিতে পর্নস্টারদের নানা কর্মকাণ্ড দেখছেন তাঁরা। এমনটাই জানিয়েছেন কানাডার ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ক্রমেই বাড়ছে ইন্টারনেটে পর্নসাইটের মহিলা ক্রেতার সংখ্যা। গবেষক ডায়না প্যারি জানিয়েছেন, মহিলাদের মধ্যে যৌনতা সংক্রান্ত এই সচেতনতা এবং স্বতন্ত্র চাহিদা এর আগে দেখা যায়নি।
বাঙালি মহিলাদের কাছে কেমন করে যৌন মিলনের মুহূর্তকে আরও উপভোগ্য করে তোলা যায় তার প্রশিক্ষণের কোনও সুযোগ নেই। এমনকী সে কথা কল্পনা করাও নৈব নৈব চ। তাই ইন্টারনেটে নীল ছবিই ভরসা। কারও সাহায্য ছাড়াই ব্যক্তিগত কম্পিউটার বা স্মার্টফোনে সহজেই ডাউনলোড হয়ে যায় দেশ বিদেশের পর্নোগ্রাফি ভিডিও। আর সেই ‘নিষিদ্ধ নীল’ পর্দায় চোখ রেখেই নিজেদের যৌন চাহিদা বাড়িয়ে তুলছেন মহিলারা। শুধু চাহিদা বাড়িয়েই তৃপ্ত নন। সেই সঙ্গে শিখে নিচ্ছেন শয্যাসঙ্গীকে আকর্ষণ করার কৌশলও। কখনও কখনও নাতিদীর্ঘ এই মিলন মুহূর্তকে আরও উষ্ণ করে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা পালনের শিক্ষাও মিলছে এই সব পর্নোগ্রাফি থেকে। তবে অনেকক্ষেত্রেই এই ধরনের পর্নোগ্রাফিতে পর্নস্টারদের বিকৃতকাম মিলন বাস্তবের বিছানায় করা সম্ভব হয় না। তন্বী দেহের পর্নস্টারদের মতো সাধারণ দম্পতিরা ফিটও নন। তথ্য বলছে, একটি নীলছবির শুটিং হয় ১০ থেকে ১৫ দিন ধরে। আর ছবির মেয়াদ হয় ১৫ থেকে ২০ মিনিট। স্বভাবতই সেখানে যে সমস্ত শৈলী প্রয়োগ করা হয়, তা বাস্তবে সুস্থ-স্বাভাবিক নরনারীর জীবনে প্রয়োগ করা খুবই কঠিন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad