প্রতিদিন কয়েক হাজার চামচ জল খাচ্ছে এখ পাথুরে ষাড়। ধর্মের ষাড়কে জল খাওয়াতে রীতিমত লম্বা লাইন দিচ্ছেন দূরদূরান্ত থেকে আসা ভক্তরা। ভক্তদের হাত থেকে চামচে করে জল খাচ্ছে পাথুরে ষাড়। শিব মিন্দিরে এক কোনে থাকা ধর্মের এই ষাড়কে জল খাওয়াতে মন্দিরে ভিড় জমাচ্ছেন বহু ভক্ত। পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গল মহল এলাকার জেলা পুরুলিয়া শহরের পুরনো পুলিশ লাইনের সামনে একটি শিব মন্দিরে এই ঘটনাকে ঘিরেই শনিবার সকাল থেকে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানাগেছে, শিব মন্দিরে থাকা পাথরের ষাঁড়ের মূর্তি জল খাচ্ছে। এই খবর চাউর হতেই মন্দিরে জমতে শুরু করল ভিড়। শ্রাবণ মাসে পাথরের ষাঁড়ের জলপান অত্যন্ত শুভ বলেই মত পুণ্যার্থীদের। পুণ্যার্জনে তাই সবাই চান ষাঁড়কে জল খাওয়াতে। শ্রাবণ মাসে এমনিতেই উপোস করে শিবের মাথায় জল ঢালেন অনেকে। ষাঁড়ের জলপানের মধ্যে তাই দৈব মহিমা খুঁজে পেয়েছেন ভক্তরা। ছাত্রী থেকে শুরু করে গৃহবধূ বা প্রবীণ নাগরিক, ষাঁড়কে জল পান করাতে ভিড় জমিয়েছিলেন সবাই। যদিও বিজ্ঞান মঞ্চের জেলা সম্পাদক নয়ন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘এই ঘটনার পিছনে কোনও দৈব মহিমা নেই। বাস্তবে ওই পাথরের ষাঁড়ের মুখের সামনে চামচ করে দেওয়া জল অন্যভাবে বেরিয়ে যাচ্ছে। এটা বৈজ্ঞানিক ভাষায় পৃষ্ঠটান সান্দ্রতা বলে। এটা আর কিছুই না।’ বিজ্ঞান মঞ্চ যাই বলুক না কেন, তাতে ষাঁড়কে জল খাওয়ানোয় উৎসাহী মানুষের ভিড় কমেনি। আগতরা বলছেন , আগে বুজরুগি ভাবলেও এখনতো চোখের সামনে সব দেখছি।চোখে দেখা ঘটনাকে বিশ্বাস করব না তা কি করে হয়।
Monday, July 29, 2019
প্রতিদিন কয়েক হাজার চামচ জল খাচ্ছে এখ পাথুরে ষাড় Live
প্রতিদিন কয়েক হাজার চামচ জল খাচ্ছে এখ পাথুরে ষাড়। ধর্মের ষাড়কে জল খাওয়াতে রীতিমত লম্বা লাইন দিচ্ছেন দূরদূরান্ত থেকে আসা ভক্তরা। ভক্তদের হাত থেকে চামচে করে জল খাচ্ছে পাথুরে ষাড়। শিব মিন্দিরে এক কোনে থাকা ধর্মের এই ষাড়কে জল খাওয়াতে মন্দিরে ভিড় জমাচ্ছেন বহু ভক্ত। পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গল মহল এলাকার জেলা পুরুলিয়া শহরের পুরনো পুলিশ লাইনের সামনে একটি শিব মন্দিরে এই ঘটনাকে ঘিরেই শনিবার সকাল থেকে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানাগেছে, শিব মন্দিরে থাকা পাথরের ষাঁড়ের মূর্তি জল খাচ্ছে। এই খবর চাউর হতেই মন্দিরে জমতে শুরু করল ভিড়। শ্রাবণ মাসে পাথরের ষাঁড়ের জলপান অত্যন্ত শুভ বলেই মত পুণ্যার্থীদের। পুণ্যার্জনে তাই সবাই চান ষাঁড়কে জল খাওয়াতে। শ্রাবণ মাসে এমনিতেই উপোস করে শিবের মাথায় জল ঢালেন অনেকে। ষাঁড়ের জলপানের মধ্যে তাই দৈব মহিমা খুঁজে পেয়েছেন ভক্তরা। ছাত্রী থেকে শুরু করে গৃহবধূ বা প্রবীণ নাগরিক, ষাঁড়কে জল পান করাতে ভিড় জমিয়েছিলেন সবাই। যদিও বিজ্ঞান মঞ্চের জেলা সম্পাদক নয়ন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘এই ঘটনার পিছনে কোনও দৈব মহিমা নেই। বাস্তবে ওই পাথরের ষাঁড়ের মুখের সামনে চামচ করে দেওয়া জল অন্যভাবে বেরিয়ে যাচ্ছে। এটা বৈজ্ঞানিক ভাষায় পৃষ্ঠটান সান্দ্রতা বলে। এটা আর কিছুই না।’ বিজ্ঞান মঞ্চ যাই বলুক না কেন, তাতে ষাঁড়কে জল খাওয়ানোয় উৎসাহী মানুষের ভিড় কমেনি। আগতরা বলছেন , আগে বুজরুগি ভাবলেও এখনতো চোখের সামনে সব দেখছি।চোখে দেখা ঘটনাকে বিশ্বাস করব না তা কি করে হয়।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment