2017-এর 2 মে খুন হন বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন সংস্থার কর্মী অনুপম সিং । খুনের 13 দিনের মাথায় গ্রেপ্তার করা হয় স্ত্রী মনুয়া মজুমদার ও তার প্রেমিক অজিত রায়কে । আজই সেই মামলার রায় ঘোষণা। আজ অনুপম সিং হত্যা মামলার রায় ঘোষণা । অনুপমকে হত্যার অভিযোগে এখন জেলেই রয়েছে স্ত্রী মনুয়া মজুমদার ও তার প্রেমিক অজিত রায় । খুনের 26 মাস পর আজ বারাসতের ফাস্ট ট্র্যাক ফোর্থ কোর্টে মামলার রায় ঘোষণা হবে । 2017 সালের 2 মে অনুপম সিংকে খুন করা হয় । খুনের 13 দিনের মাথায় বারাসত থেকে মনুয়া মজুমদার ও তার প্রেমিক অজিত ওরফে বুবাইকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ । 2017 সালের 2 মে গভীর রাতে নিজের বাড়িতেই খুন হন বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন সংস্থার কর্মী অনুপম সিং (34) । তদন্তে জানা যায়, মাথায় ভারী অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে তাঁকে খুন করা হয়েছিল । খুনি হিসেবে তাঁর স্ত্রীর প্রেমিক অজিতকে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করতে পুলিশ সময় নেয় প্রায় দু'সপ্তাহ । খুনের পর থেকেই অনুপম সিংয়ের তিনটি মোবাইল পাওয়া যাচ্ছিল না। তাঁর স্ত্রী মনুয়াকে জেরা করেও কোনও ফোনের হদিস পাওয়া যায়নি । পলাশ বলে জনৈক যুবকসহ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে রহস্যের জট ছাড়িয়ে ফেলতে সক্ষম হয় । মনুয়ার প্রেমিক অজিতকে আটক করে পুলিশ । তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অনুপমের একটি ফোন উদ্ধার করা হয় । ওই মোবাইল ঘেঁটে জানা যায়, খুনের আগে মনুয়া ও অনুপমের মধ্যে কথপোকথনের বিষয়টি । ইনবক্স ঘেঁটেও বেশকিছু তথ্য উদ্ধার করে পুলিশ । তৎকালীন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, খুনের সময় স্ত্রী মোবাইলে অনলাইন ছিল ও স্বামীর শেষ আর্তনাদ নিজের কানে শুনেছে । অভিযুক্ত দু'জনকেই নেওয়া হয় পুলিশি হেপাজতে । মাধ্যমিক অনুত্তীর্ণ অশোকনগর এলাকার বাসিন্দা অজিতের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই মনুয়ার সম্পর্ক ছিল । 2016 সালে মনুয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় অনুপম সিংয়ের । কিন্তু তারপরও মনুয়া ও অজিতের পরকীয়া চলছিল । বিয়ের পরও মনুয়া বেশ কয়েকবার অজিতকে নিয়ে এসেছিল হৃদয়পুরের বাড়িতে । অনুপম বাড়িতে না থাকলেই হাজির হত অজিত । দীর্ঘক্ষণ অজিতের সঙ্গে ফোনেও কথা বলত মনুয়া । এতেই মনুয়ার উপর সন্দেহ বাড়তে থাকে অনুপমের । পরে বিষয়টি জানতে পারেন তিনি । এই নিয়ে অশান্তিও হয় । অভিযোগ, এরপরই অনুপমকে সরানোর পরিকল্পনা করে মনুয়া ও অজিত । হত্যার 86 দিন পর চার্জশিট জমা দেন বারাসত থানার তদন্তকারীরা । তার মধ্যে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ফরেন্সিক রিপোর্টও ছিল । 302 ও 120B ধারায় খুন ও ষড়যন্ত্রের মামলা চলে । 27 জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয় । 469 পাতার চার্জশিটের পর আবার জমা পড়ে চার্জশিট । 23 মাস শুনানির পর আজ ঘোষণা হতে চলেছে রায় । ইতিমধ্যেই অনুপমের পরিবারের সদস্য ও বন্ধুরা অভিযুক্ত দুজনের মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছেন । প্রেমিককে নিয়ে স্বামীকে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল বারাসতের যুবতি মনুয়ার বিরুদ্ধে । আজ সেই মামলার রায় ঘোষণা হওয়ার কথা। রায়ের আগেই মনুয়ার ফাঁসি চাইলেন মনুয়ার স্বামী অনুপম সিংহের মা। বললেন, "আমার ছেলের হত্যাকারী মনুয়া ও অজিতের ফাঁসিই চাই । সন্তান হারানোর যে যন্ত্রণা, তা অনুভব করুক ওদের(মনুয়া ও অজিত)পরিবারও।" মনুয়ার ফাঁসির দাবি করেন অনুপমের মা কল্পনা। আজ বারাসত আদালতের ফাস্ট ট্রাক ফোর্থ কোর্টের বিচারক বৈষ্ণব সরকার এই মামলার দুই অভিযুক্ত মনুয়া মজুমদার ও তার প্রেমিক অজিত রায়ের বিরুদ্ধে রায় দিতে পারেন । তবে, তার আগেই এই মামলার মূল দুই অভিযুক্ত প্রসঙ্গে কল্পনা সিংহ বলেন, "আমি যে যন্ত্রণা,কষ্ট পাচ্ছি প্রতিদিন,তা কিছুটা হলেও লাঘব হবে মনুয়া ও অজিতের ফাঁসি হলে । আমার ছেলের আত্মা শান্তি পাবে। সুবিচার পাব আমরা । আমাদের আদালতের উপর সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে।" আদালতে অনুপমের বাবা জগদীশ চন্দ্র সিংহ, দিদি পপি সিংহ , ভাগ্নে অভীক সরকারসহ বন্ধু আত্মীয়-স্বজন সকলেই হাজির থাকবেন বলে জানান কল্পনা সিংহ । 2017 সালের 2 মে । বারাসত হৃদয়পুরের তালপুকুরের বাড়িতে খুন হন বেসরকারি ভ্রমণ সংস্থার ম্যানেজার অনুপম সিংহ । প্রথমে এই খুন নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও পরে পুলিশের তদন্তে জানা যায় , খুনের সঙ্গে জড়িত অনুপমের স্ত্রী মনুয়া মজুমদার ও তার প্রেমিক অজিত রায় । পুলিশের তদন্তে উঠে আসে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য । খুনের সময় অজিতের মোবাইলে ফোন করে স্বামীর শেষ আর্তনাদ শুনেছিল মনুয়া । এরপরেই 16 মে বারাসত থানার পুলিশ মনুয়া ও অজিতকে গ্রেপ্তার করে । শুরু হয় মামলার বিচার প্রক্রিয়া । প্রায় দু-বছর ধরে মামলাটি বারাসত আদালতের ফাস্ট ট্রাক ফোর্থ কোর্টে চলে । এরমধ্যে এই হত্যা মামলার সরকারি আইনজীবী বিপ্লব রায়কে সরিয়ে দেওয়া নিয়ে জলঘোলা কম হয়নি । তারপর নতুন সরকারি আইনজীবী শ্যামল দত্তকে নিয়োগ করে মামলাটির শুনানি প্রক্রিয়া শেষ হয় চলতি বছরের 26 জুন । সেদিনই বিচারক ঘোষণা করেন 15 জুলাই রায় দান করা হবে । আদালত সূত্রে জানা গেছে, এই মামলায় মোট 31 জন সাক্ষী দিয়েছেন । প্রথম সাক্ষী দিয়েছিলেন মনুয়ার বাবা । এরপর, একে একে অনুপমের বন্ধু, অফিসের সহকর্মী , ফরেনসিক ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞ থেকে মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার সকলেই সাক্ষী দিয়েছেন । 2017 সালের 14 জুলাই দুই অভিযুক্ত মনুয়া ও অজিতের বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণসহ বারাসত আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ । এরপরও সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করা হয় । অন্যদিকে,অনুপম হত্যা মামলার সরকারি আইনজীবী শ্যামল দত্ত বলেন, "আমরা অবশ্যই চাইব অনুপম হত্যা মামলায় দুই অভিযুক্তের সর্বোচ্চ সাজা হোক । সেটাই আমরা আদালতকে জানাব ।"
Monday, July 15, 2019
রায় দানের দিন পেছোলো , দেখুন অজিত মনুয়াকে
2017-এর 2 মে খুন হন বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন সংস্থার কর্মী অনুপম সিং । খুনের 13 দিনের মাথায় গ্রেপ্তার করা হয় স্ত্রী মনুয়া মজুমদার ও তার প্রেমিক অজিত রায়কে । আজই সেই মামলার রায় ঘোষণা। আজ অনুপম সিং হত্যা মামলার রায় ঘোষণা । অনুপমকে হত্যার অভিযোগে এখন জেলেই রয়েছে স্ত্রী মনুয়া মজুমদার ও তার প্রেমিক অজিত রায় । খুনের 26 মাস পর আজ বারাসতের ফাস্ট ট্র্যাক ফোর্থ কোর্টে মামলার রায় ঘোষণা হবে । 2017 সালের 2 মে অনুপম সিংকে খুন করা হয় । খুনের 13 দিনের মাথায় বারাসত থেকে মনুয়া মজুমদার ও তার প্রেমিক অজিত ওরফে বুবাইকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ । 2017 সালের 2 মে গভীর রাতে নিজের বাড়িতেই খুন হন বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন সংস্থার কর্মী অনুপম সিং (34) । তদন্তে জানা যায়, মাথায় ভারী অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে তাঁকে খুন করা হয়েছিল । খুনি হিসেবে তাঁর স্ত্রীর প্রেমিক অজিতকে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করতে পুলিশ সময় নেয় প্রায় দু'সপ্তাহ । খুনের পর থেকেই অনুপম সিংয়ের তিনটি মোবাইল পাওয়া যাচ্ছিল না। তাঁর স্ত্রী মনুয়াকে জেরা করেও কোনও ফোনের হদিস পাওয়া যায়নি । পলাশ বলে জনৈক যুবকসহ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে রহস্যের জট ছাড়িয়ে ফেলতে সক্ষম হয় । মনুয়ার প্রেমিক অজিতকে আটক করে পুলিশ । তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অনুপমের একটি ফোন উদ্ধার করা হয় । ওই মোবাইল ঘেঁটে জানা যায়, খুনের আগে মনুয়া ও অনুপমের মধ্যে কথপোকথনের বিষয়টি । ইনবক্স ঘেঁটেও বেশকিছু তথ্য উদ্ধার করে পুলিশ । তৎকালীন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, খুনের সময় স্ত্রী মোবাইলে অনলাইন ছিল ও স্বামীর শেষ আর্তনাদ নিজের কানে শুনেছে । অভিযুক্ত দু'জনকেই নেওয়া হয় পুলিশি হেপাজতে । মাধ্যমিক অনুত্তীর্ণ অশোকনগর এলাকার বাসিন্দা অজিতের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই মনুয়ার সম্পর্ক ছিল । 2016 সালে মনুয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় অনুপম সিংয়ের । কিন্তু তারপরও মনুয়া ও অজিতের পরকীয়া চলছিল । বিয়ের পরও মনুয়া বেশ কয়েকবার অজিতকে নিয়ে এসেছিল হৃদয়পুরের বাড়িতে । অনুপম বাড়িতে না থাকলেই হাজির হত অজিত । দীর্ঘক্ষণ অজিতের সঙ্গে ফোনেও কথা বলত মনুয়া । এতেই মনুয়ার উপর সন্দেহ বাড়তে থাকে অনুপমের । পরে বিষয়টি জানতে পারেন তিনি । এই নিয়ে অশান্তিও হয় । অভিযোগ, এরপরই অনুপমকে সরানোর পরিকল্পনা করে মনুয়া ও অজিত । হত্যার 86 দিন পর চার্জশিট জমা দেন বারাসত থানার তদন্তকারীরা । তার মধ্যে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ফরেন্সিক রিপোর্টও ছিল । 302 ও 120B ধারায় খুন ও ষড়যন্ত্রের মামলা চলে । 27 জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয় । 469 পাতার চার্জশিটের পর আবার জমা পড়ে চার্জশিট । 23 মাস শুনানির পর আজ ঘোষণা হতে চলেছে রায় । ইতিমধ্যেই অনুপমের পরিবারের সদস্য ও বন্ধুরা অভিযুক্ত দুজনের মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছেন । প্রেমিককে নিয়ে স্বামীকে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল বারাসতের যুবতি মনুয়ার বিরুদ্ধে । আজ সেই মামলার রায় ঘোষণা হওয়ার কথা। রায়ের আগেই মনুয়ার ফাঁসি চাইলেন মনুয়ার স্বামী অনুপম সিংহের মা। বললেন, "আমার ছেলের হত্যাকারী মনুয়া ও অজিতের ফাঁসিই চাই । সন্তান হারানোর যে যন্ত্রণা, তা অনুভব করুক ওদের(মনুয়া ও অজিত)পরিবারও।" মনুয়ার ফাঁসির দাবি করেন অনুপমের মা কল্পনা। আজ বারাসত আদালতের ফাস্ট ট্রাক ফোর্থ কোর্টের বিচারক বৈষ্ণব সরকার এই মামলার দুই অভিযুক্ত মনুয়া মজুমদার ও তার প্রেমিক অজিত রায়ের বিরুদ্ধে রায় দিতে পারেন । তবে, তার আগেই এই মামলার মূল দুই অভিযুক্ত প্রসঙ্গে কল্পনা সিংহ বলেন, "আমি যে যন্ত্রণা,কষ্ট পাচ্ছি প্রতিদিন,তা কিছুটা হলেও লাঘব হবে মনুয়া ও অজিতের ফাঁসি হলে । আমার ছেলের আত্মা শান্তি পাবে। সুবিচার পাব আমরা । আমাদের আদালতের উপর সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে।" আদালতে অনুপমের বাবা জগদীশ চন্দ্র সিংহ, দিদি পপি সিংহ , ভাগ্নে অভীক সরকারসহ বন্ধু আত্মীয়-স্বজন সকলেই হাজির থাকবেন বলে জানান কল্পনা সিংহ । 2017 সালের 2 মে । বারাসত হৃদয়পুরের তালপুকুরের বাড়িতে খুন হন বেসরকারি ভ্রমণ সংস্থার ম্যানেজার অনুপম সিংহ । প্রথমে এই খুন নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও পরে পুলিশের তদন্তে জানা যায় , খুনের সঙ্গে জড়িত অনুপমের স্ত্রী মনুয়া মজুমদার ও তার প্রেমিক অজিত রায় । পুলিশের তদন্তে উঠে আসে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য । খুনের সময় অজিতের মোবাইলে ফোন করে স্বামীর শেষ আর্তনাদ শুনেছিল মনুয়া । এরপরেই 16 মে বারাসত থানার পুলিশ মনুয়া ও অজিতকে গ্রেপ্তার করে । শুরু হয় মামলার বিচার প্রক্রিয়া । প্রায় দু-বছর ধরে মামলাটি বারাসত আদালতের ফাস্ট ট্রাক ফোর্থ কোর্টে চলে । এরমধ্যে এই হত্যা মামলার সরকারি আইনজীবী বিপ্লব রায়কে সরিয়ে দেওয়া নিয়ে জলঘোলা কম হয়নি । তারপর নতুন সরকারি আইনজীবী শ্যামল দত্তকে নিয়োগ করে মামলাটির শুনানি প্রক্রিয়া শেষ হয় চলতি বছরের 26 জুন । সেদিনই বিচারক ঘোষণা করেন 15 জুলাই রায় দান করা হবে । আদালত সূত্রে জানা গেছে, এই মামলায় মোট 31 জন সাক্ষী দিয়েছেন । প্রথম সাক্ষী দিয়েছিলেন মনুয়ার বাবা । এরপর, একে একে অনুপমের বন্ধু, অফিসের সহকর্মী , ফরেনসিক ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞ থেকে মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার সকলেই সাক্ষী দিয়েছেন । 2017 সালের 14 জুলাই দুই অভিযুক্ত মনুয়া ও অজিতের বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণসহ বারাসত আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ । এরপরও সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করা হয় । অন্যদিকে,অনুপম হত্যা মামলার সরকারি আইনজীবী শ্যামল দত্ত বলেন, "আমরা অবশ্যই চাইব অনুপম হত্যা মামলায় দুই অভিযুক্তের সর্বোচ্চ সাজা হোক । সেটাই আমরা আদালতকে জানাব ।"
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment