
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা,৩মার্চ:-বাঙালি মহিলাদের কাছে কেমন করে যৌন মিলনের মুহূর্তকে আরও উপভোগ্য করে তোলা যায় তার প্রশিক্ষণের কোনও সুযোগ নেই। এমনকী সে কথা কল্পনা করাও নৈব নৈব চ। তাই ইন্টারনেটে নীল ছবিই ভরসা। কারও সাহায্য ছাড়াই ব্যক্তিগত কম্পিউটার বা স্মার্টফোনে সহজেই ডাউনলোড হয়ে যায় দেশ বিদেশের পর্নোগ্রাফি ভিডিও। আর সেই ‘নিষিদ্ধ নীল’ পর্দায় চোখ রেখেই নিজেদের যৌন চাহিদা বাড়িয়ে তুলছেন মহিলারা। শুধু চাহিদা বাড়িয়েই তৃপ্ত নন। সেই সঙ্গে শিখে নিচ্ছেন শয্যাসঙ্গীকে আকর্ষণ করার কৌশলও। কখনও কখনও নাতিদীর্ঘ এই মিলন মুহূর্তকে আরও উষ্ণ করে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা পালনের শিক্ষাও মিলছে এই সব পর্নোগ্রাফি থেকে। তবে অনেকক্ষেত্রেই এই ধরনের পর্নোগ্রাফিতে পর্নস্টারদের বিকৃতকাম মিলন বাস্তবের বিছানায় করা সম্ভব হয় না। তন্বী দেহের পর্নস্টারদের মতো সাধারণ দম্পতিরা ফিটও নন। তথ্য বলছে, একটি নীলছবির শুটিং হয় ১০ থেকে ১৫ দিন ধরে। আর ছবির মেয়াদ হয় ১৫ থেকে ২০ মিনিট। স্বভাবতই সেখানে যে সমস্ত শৈলী প্রয়োগ করা হয়, তা বাস্তবে সুস্থ-স্বাভাবিক নরনারীর জীবনে প্রয়োগ করা খুবই কঠিন।
নতুন ট্রেন্ড হলেও এই প্রবণতার পক্ষে মত পেশ করেছেন গবেষকরা। তাঁদের মতে, আড়ষ্টতা কাটিয়ে মহিলাদের এই এগিয়ে আসা খুবই জরুরি ছিল। আর পাঁচটা ‘নেচার কল’-এর মতো সেক্সও যে স্বাভাবিক চাহিদা তা এতদিন মানুষ মানতে চায়নি। রাখঢাক ছেড়ে মহিলাদের এই স্বাবলম্বী হওয়ায় খুশি গবেষক ডায়না প্যারি।সেই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, এই বিষয়ে অন্য কারও থেকে পরামর্শ চাওয়ার বদলে ইন্টারনেটের সাহায্য নেওয়া মহিলাদের পক্ষে অনেক স্বাচ্ছন্দ্যের। গবেষকদের মতে, পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের যৌন চাহিদা কম নয়। বরং কখনও কখনও বেশি। কিন্তু সামাজিক রক্ষণশীলতায় মহিলারা এতদিন সেই অনুভূতিকে অবদমিত করে রাখতেন। শরীর বিদ্রোহ করলেও অপরাধ মনে করে তা দমন করতেন মহিলারা। ক্রমেই দৃষ্টিভঙ্গি বদলেছে। স্বাবলম্বী হয়েছে মহিলাদের যৌনজীবন।অন্যদিকে দৈনন্দিন জীবনে ব্যস্ততা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গীর সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে। এই সমস্যার সমাধানেও বিশেষ ভূমিকা পালন করছে এই সব পর্নোগ্রাফি। দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর মতোই অনেক সময় এই সব ভিডিও দেখে একাকী রাতের যৌন চাহিদা পূরণে সক্ষম হন মহিলারা। ফলে সা
No comments:
Post a Comment