নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ৩১ মার্চ:-জাতীয় সড়কের ধারে জুবুথুবু হয়ে বসে দুজন। হিন্দিভাষী, জিজ্ঞেস করতেই জানা গেলো তারা নেপাল সীমান্ত লাগোয়া বিহারের একটি গ্রাম থেকে এসেছেন। তাদের মধ্যে একজনের দাবী তার নাবালক ছেলে কাজের সন্ধানে কিছুদিন আগে কোলকাতার উদ্দ্যেশ্যে বাড়ি থেকে কয়েকজন বন্ধুর সাথে বেড়োয়। এরপরই শুরু হয়ে যায় লক ডাউন। কিন্তু তারা গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনি। আসানসোল আর দুর্গাপুর এলাকায় স্টেশনে স্টেশনে ঘুরেও বাড়ি ফিরতে পারেনি। এদিকে বাকি সাথীরা তাকে ছেড়ে চলে যাওয়ায় সে পায়ে হেঁটে রওনা দেয়। এসব কথা জানালেন ছেলেকে খুজতে সাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে আসা বাবা। যদিও রাতের বেশ খানিকটা সময় তার সাথে কথা বলে এই ব্যাপারে অনেক কিছুই জানা গেল, মন ভরাক্রান্ত হয়ে উঠল৷ কিন্তু কিছু করার নেই, তবে এই বিপর্যয়ের মুহুর্তে বাবা তার ছেলেকে অক্ষত অবস্থায় ফিরে পাক এটুকুই আশা।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ৩১ মার্চ:-জাতীয় সড়কের ধারে জুবুথুবু হয়ে বসে দুজন। হিন্দিভাষী, জিজ্ঞেস করতেই জানা গেলো তারা নেপাল সীমান্ত লাগোয়া বিহারের একটি গ্রাম থেকে এসেছেন। তাদের মধ্যে একজনের দাবী তার নাবালক ছেলে কাজের সন্ধানে কিছুদিন আগে কোলকাতার উদ্দ্যেশ্যে বাড়ি থেকে কয়েকজন বন্ধুর সাথে বেড়োয়। এরপরই শুরু হয়ে যায় লক ডাউন। কিন্তু তারা গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনি। আসানসোল আর দুর্গাপুর এলাকায় স্টেশনে স্টেশনে ঘুরেও বাড়ি ফিরতে পারেনি। এদিকে বাকি সাথীরা তাকে ছেড়ে চলে যাওয়ায় সে পায়ে হেঁটে রওনা দেয়। এসব কথা জানালেন ছেলেকে খুজতে সাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে আসা বাবা। যদিও রাতের বেশ খানিকটা সময় তার সাথে কথা বলে এই ব্যাপারে অনেক কিছুই জানা গেল, মন ভরাক্রান্ত হয়ে উঠল৷ কিন্তু কিছু করার নেই, তবে এই বিপর্যয়ের মুহুর্তে বাবা তার ছেলেকে অক্ষত অবস্থায় ফিরে পাক এটুকুই আশা।

No comments:
Post a Comment