নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ২৬ ফেব্রুয়ারী :-বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং সোশ্যাল ওয়েবসাইট ইউটিউব প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৫ সালে। গত কয়েক বছরে ইউটিউব ব্যবহারকারীর সংখ্যা এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে সেটি জিমেইলের মোট ব্যবহারকারীর সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে। এমনকি ইউটিউবের জনপ্রিয়তা ফেসবুকের কাছাকাছি চলে এসেছে। বর্তমানে প্রতিদিন ৩০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ ইউটিউব ব্যবহার করেন ইউটিউবে প্রতিদিন প্রায় ৫ বিলিয়ন ভিডিও দেখা হয়। এত সব ভিডিওর মাঝে এমন কিছু ভিডিও আছে যেগুলো দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সময় সংবাদের পাঠকদের জন্য ইউটিউবে সবচেয়ে বেশিবার দেখা হয়েছে এমন ১০টি ভিডিওর তথ্য তুলে ধরা হলো-মার্কিন পপ তারকা কেটি পেরির শিরোনামের গানটি ইউটিউবে প্রকাশিত হয় ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩তে। প্রকাশের আগ থেকেই গানটির টিজারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রেসপন্স আসা শুরু হয়েছিলো। মূলত মিউজিক ভিডিওটিতে কেটি পেরি একজন বিমান বিধ্বস্ত যাত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেন যে কিনা একটি বন্য পরিবেশে নিজেকে একটি বাঘের সাথে তুলনা করার মাধ্যমে আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে উঠে। ভিডিওটি ইউটিউবে ৩০১ কোটি ২০ লাখ ৩৮ হাজার ৩৯১ ভিউ হয়েছে।এর গান আমরা কম-বেশি সবাই শুনেছি। প্রতিটি গানে তারা চেষ্টা করে শ্রোতাদের নতুন কিছু উপহার দেয়ার। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালের ১৪ জানুয়ারি ইউটিউবে প্রকাশিত হয় সুগার শিরোনামে তাদের অসাধারণ একটি মিউজিক ভিডিও। এই গানে ওয়েডিং ক্র্যাশার মুভির একটি ম্যরেজ ইভেন্ট কভার করে পুরো ব্যান্ড দলটিকে কাস্ট করা হয়েছে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এই গানটি ৩১২ কোটি ৯০ লাখ ৮৪ হাজার ১৭৩ বার দেখা হয়েছে।সবচেয়ে বেশি ভিউ হওয়া ভিডিওগুলোর মধ্যে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করা মিউজিক ভিডিও রয়েছে ৭ম স্থানে। কোরিয়ান পপ তারকা ১৫ জুলাই ২০১২তে গানটি ইউটিউবে অবমুক্ত করেন। গানের কম্পোজিশন থেকে শুরু করে কোরিওগ্রাফি সবখানে ছিলো নৈপূণ্যতা। বিভিন্ন দেশের টপচার্টে গানটি দীর্ঘসময় ধরে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছিলো এবং অর্জন করেছিল একাধিক অ্যাওয়ার্ড। এই গানটি প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩৫২ কোটি ২৯ লাখ ৯৮ হাজার ৮২৬ বার দেখা হয়েছে।ছয় নাম্বার অবস্থান করছে মিউজিক ভিডিওটি। এটি ইউটিউবে সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয় ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত গানটির ভিউ ৩৭৭ কোটি ৯৩ লাখ ৬৫ হাজার ৬৬৫।মাশা অ্যান্ড দ্যা বেয়ার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি এনিমেটেড কার্টুন সিরিজ। এরই রেসিপি ফর ডিজাস্টার পর্বটি ঝড় তুলেছিলো সমগ্র ইউটিউবে। রুশ ডেভলপার এই কার্টুন সিরিজটি ২০০৯ সাল থেকে ইউটিউব এ প্রকাশ করে আসছে। প্রতিটি পর্বই যথেষ্ট জনপ্রিয়তা পেলেও পর্বটি যোগ করেছে অন্য মাত্রা। আশ্চর্যজনক হলেও এটাই সত্য যে এটিই একমাত্র টপ রেটেড ইউটিউব ভিডিও যা কিনা কোনো মিউজিক ভিডিও নয়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এটির ভিউয়ের সংখ্যা ৪২২ কোটি ৮৪ লাখ ৭০ হাজার ৫১৪।হৃদয় ছোঁয়া সুরে গাওয়া গানটি গেয়েছিলেন হুইজ খলীফা এবং প্রথম এই গানটি ব্যবহার করা হয় ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াস ৭ মুভিতে – মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত অভিনেতা পল ওয়াকারের স্মৃতির উদ্দেশ্যে। ২০১৭ সালে এই গানটি টানা এক মাস মোস্ট ভিউড লিস্টে ছিলো। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভিডিওটি দেখা হয়েছে ৪৪২ কোটি ৩৪ লাখ ২৩ হাজার ৫৬৮ বার।শিশুদের জন্য বানানো এই গানটি ইউটিউবের মোস্ট ভিউ হওয়া টপ টেনের তালিকায় নতুন সংযোজন। গানটি প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪৬০ কোটি ৬৫ লাখ ৬৮ হাজার ১৭৯ বার দেখা হয়েছে মনোদৈহিক প্রেমের উত্তাল আবেগের আলোড়ন তোলা ইংরেজি এই গানটি ২০১৭ তে বের হয় এবং সাথে সাথেই জনপ্রিয়তার তকমাটি গায়ে সেঁটে নেয়। তারপর ৩৪ টি দেশের টপ চার্টে টানা এই গানটি অবস্থান করে যেখানে ইউএস বিলবোর্ড-১০০ এ ১৬ সপ্তাহ এবং ইউকে বিলবোর্ড-এ অবস্থান টানা ১৪-সপ্তাহ রাজত্ব করে। এই গানের অ্যালবাম প্রায় ২৬.৬ মিলিয়ন ইউনিট বিক্রি হয় এবং স্পটিফাই এর মত ডিজিটাল মিউজিক প্ল্যাটফর্ম-এ এই গানটি দোর্দণ্ডপ্রতাপের সাথে রাজত্ব করে। এই গানটি ইউকে-তে বেস্ট সেলিং ডিজিটাল সং অ্যাওয়ার্ড জিতেছিল। গানটির ভিউ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪৬২ কোটি ৮৯ লাখ ৯৪ হাজার ৯৩২।ইউটিউবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৬৬৩ কোটি ৬৬ লাখ ৮৬ হাজার ০০২ ভিউ, ৪৭টি দেশে জনপ্রিয়তার মুকুট, ১৬-সপ্তাহ যাবত বিশ্বের প্রধানতম সঙ্গীত বিলবোর্ডগুলোতে মাধুর্যের রাজত্ব– এই সবই একটি গানের দিকেই ইঙ্গিত করে সেটা হল–লুই ফনসি’র দেসপাসিতো। লুই ফনসি’র সাথে অবশ্য কন্ঠ দিয়েছিলেন ড্যাডি ইয়াঙ্কি। গানের সাথে সাথে এই মিউজিক ভিডিওটিও সমান জনপ্রিয় হয়েছিল, যেটা নিয়ে ফনসি বলেছিলেন যে, এই গানের ভিডিওতে দক্ষিণ আমেরিকার সংস্কৃতি এবং কৃষ্টি ফুটে উঠেছে। ১৯৯৬ সালে অবমুক্ত হওয়া “মাকারেনা” গানটির পরে এই গানটিই স্প্যানিশ সঙ্গীত হিসেবে ইউএসএ- তে প্রথম জনপ্রিয়তার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ২৬ ফেব্রুয়ারী :-বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং সোশ্যাল ওয়েবসাইট ইউটিউব প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৫ সালে। গত কয়েক বছরে ইউটিউব ব্যবহারকারীর সংখ্যা এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে সেটি জিমেইলের মোট ব্যবহারকারীর সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে। এমনকি ইউটিউবের জনপ্রিয়তা ফেসবুকের কাছাকাছি চলে এসেছে। বর্তমানে প্রতিদিন ৩০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ ইউটিউব ব্যবহার করেন ইউটিউবে প্রতিদিন প্রায় ৫ বিলিয়ন ভিডিও দেখা হয়। এত সব ভিডিওর মাঝে এমন কিছু ভিডিও আছে যেগুলো দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সময় সংবাদের পাঠকদের জন্য ইউটিউবে সবচেয়ে বেশিবার দেখা হয়েছে এমন ১০টি ভিডিওর তথ্য তুলে ধরা হলো-মার্কিন পপ তারকা কেটি পেরির শিরোনামের গানটি ইউটিউবে প্রকাশিত হয় ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩তে। প্রকাশের আগ থেকেই গানটির টিজারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রেসপন্স আসা শুরু হয়েছিলো। মূলত মিউজিক ভিডিওটিতে কেটি পেরি একজন বিমান বিধ্বস্ত যাত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেন যে কিনা একটি বন্য পরিবেশে নিজেকে একটি বাঘের সাথে তুলনা করার মাধ্যমে আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে উঠে। ভিডিওটি ইউটিউবে ৩০১ কোটি ২০ লাখ ৩৮ হাজার ৩৯১ ভিউ হয়েছে।এর গান আমরা কম-বেশি সবাই শুনেছি। প্রতিটি গানে তারা চেষ্টা করে শ্রোতাদের নতুন কিছু উপহার দেয়ার। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালের ১৪ জানুয়ারি ইউটিউবে প্রকাশিত হয় সুগার শিরোনামে তাদের অসাধারণ একটি মিউজিক ভিডিও। এই গানে ওয়েডিং ক্র্যাশার মুভির একটি ম্যরেজ ইভেন্ট কভার করে পুরো ব্যান্ড দলটিকে কাস্ট করা হয়েছে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এই গানটি ৩১২ কোটি ৯০ লাখ ৮৪ হাজার ১৭৩ বার দেখা হয়েছে।সবচেয়ে বেশি ভিউ হওয়া ভিডিওগুলোর মধ্যে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করা মিউজিক ভিডিও রয়েছে ৭ম স্থানে। কোরিয়ান পপ তারকা ১৫ জুলাই ২০১২তে গানটি ইউটিউবে অবমুক্ত করেন। গানের কম্পোজিশন থেকে শুরু করে কোরিওগ্রাফি সবখানে ছিলো নৈপূণ্যতা। বিভিন্ন দেশের টপচার্টে গানটি দীর্ঘসময় ধরে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছিলো এবং অর্জন করেছিল একাধিক অ্যাওয়ার্ড। এই গানটি প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩৫২ কোটি ২৯ লাখ ৯৮ হাজার ৮২৬ বার দেখা হয়েছে।ছয় নাম্বার অবস্থান করছে মিউজিক ভিডিওটি। এটি ইউটিউবে সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয় ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত গানটির ভিউ ৩৭৭ কোটি ৯৩ লাখ ৬৫ হাজার ৬৬৫।মাশা অ্যান্ড দ্যা বেয়ার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি এনিমেটেড কার্টুন সিরিজ। এরই রেসিপি ফর ডিজাস্টার পর্বটি ঝড় তুলেছিলো সমগ্র ইউটিউবে। রুশ ডেভলপার এই কার্টুন সিরিজটি ২০০৯ সাল থেকে ইউটিউব এ প্রকাশ করে আসছে। প্রতিটি পর্বই যথেষ্ট জনপ্রিয়তা পেলেও পর্বটি যোগ করেছে অন্য মাত্রা। আশ্চর্যজনক হলেও এটাই সত্য যে এটিই একমাত্র টপ রেটেড ইউটিউব ভিডিও যা কিনা কোনো মিউজিক ভিডিও নয়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এটির ভিউয়ের সংখ্যা ৪২২ কোটি ৮৪ লাখ ৭০ হাজার ৫১৪।হৃদয় ছোঁয়া সুরে গাওয়া গানটি গেয়েছিলেন হুইজ খলীফা এবং প্রথম এই গানটি ব্যবহার করা হয় ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াস ৭ মুভিতে – মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত অভিনেতা পল ওয়াকারের স্মৃতির উদ্দেশ্যে। ২০১৭ সালে এই গানটি টানা এক মাস মোস্ট ভিউড লিস্টে ছিলো। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভিডিওটি দেখা হয়েছে ৪৪২ কোটি ৩৪ লাখ ২৩ হাজার ৫৬৮ বার।শিশুদের জন্য বানানো এই গানটি ইউটিউবের মোস্ট ভিউ হওয়া টপ টেনের তালিকায় নতুন সংযোজন। গানটি প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪৬০ কোটি ৬৫ লাখ ৬৮ হাজার ১৭৯ বার দেখা হয়েছে মনোদৈহিক প্রেমের উত্তাল আবেগের আলোড়ন তোলা ইংরেজি এই গানটি ২০১৭ তে বের হয় এবং সাথে সাথেই জনপ্রিয়তার তকমাটি গায়ে সেঁটে নেয়। তারপর ৩৪ টি দেশের টপ চার্টে টানা এই গানটি অবস্থান করে যেখানে ইউএস বিলবোর্ড-১০০ এ ১৬ সপ্তাহ এবং ইউকে বিলবোর্ড-এ অবস্থান টানা ১৪-সপ্তাহ রাজত্ব করে। এই গানের অ্যালবাম প্রায় ২৬.৬ মিলিয়ন ইউনিট বিক্রি হয় এবং স্পটিফাই এর মত ডিজিটাল মিউজিক প্ল্যাটফর্ম-এ এই গানটি দোর্দণ্ডপ্রতাপের সাথে রাজত্ব করে। এই গানটি ইউকে-তে বেস্ট সেলিং ডিজিটাল সং অ্যাওয়ার্ড জিতেছিল। গানটির ভিউ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪৬২ কোটি ৮৯ লাখ ৯৪ হাজার ৯৩২।ইউটিউবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৬৬৩ কোটি ৬৬ লাখ ৮৬ হাজার ০০২ ভিউ, ৪৭টি দেশে জনপ্রিয়তার মুকুট, ১৬-সপ্তাহ যাবত বিশ্বের প্রধানতম সঙ্গীত বিলবোর্ডগুলোতে মাধুর্যের রাজত্ব– এই সবই একটি গানের দিকেই ইঙ্গিত করে সেটা হল–লুই ফনসি’র দেসপাসিতো। লুই ফনসি’র সাথে অবশ্য কন্ঠ দিয়েছিলেন ড্যাডি ইয়াঙ্কি। গানের সাথে সাথে এই মিউজিক ভিডিওটিও সমান জনপ্রিয় হয়েছিল, যেটা নিয়ে ফনসি বলেছিলেন যে, এই গানের ভিডিওতে দক্ষিণ আমেরিকার সংস্কৃতি এবং কৃষ্টি ফুটে উঠেছে। ১৯৯৬ সালে অবমুক্ত হওয়া “মাকারেনা” গানটির পরে এই গানটিই স্প্যানিশ সঙ্গীত হিসেবে ইউএসএ- তে প্রথম জনপ্রিয়তার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
No comments:
Post a Comment