নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ৩০ জানুয়ারি:- সবুজ আম পেটিতে ভর্তি করে পাইকারি বাজারের উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দিলেন চাষি। দু’, তিন দিন বাদে সেই আম যখন বাজারে এলো, তখন তা টুকটুকে হলুদ। ম্যাজিক নয়, ক্যালসিয়াম কার্বাইডের সৌজন্যে পাকা আমেও স্বাদ পাচ্ছেন না আম জনতা। এমনকী যে রাজশাহীর আমের জগৎজোড়া খ্যাতি, সেই রাজশাহীতেই অবাধে কার্বাইডের সাহায্যে আম পাকানো হচ্ছে। বাজার থেকে দাম দিয়ে পাকা আম কিনে নিয়ে গিয়েও তাই মন ভরছে না ক্রেতার।শ কিছু আম সুস্বাদু, পুষ্ট ও রসালো হয়ে বাজারে আসতে এখনও দেরি প্রায় সাত দিন। আগামী সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে সঠিক ভাবে পেকে বাজারে আসতে পারে যে আমগুলি, সেগুলো হল ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হিমসাগর। এখনই দেখা যাচ্ছে বেশ কিছু আম বাগানে আম পাড়ার হিড়িক পড়ে গেছে। কিছু আম ব্যবসায়ী অপুষ্ট আম পেড়ে তাতে ভয়ানক ‘ক্যালসিয়াম কার্বাইড’ মিশিয়ে বাজারে নিয়ে আসছে। ফলে যা দাঁড়াচ্ছে টক, বেস্বাদের আম খেতে হচ্ছে মানুষকে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর জন্য এই ধরনের কার্যকলাপ হচ্ছে। তাঁদের একটাই চিন্তা, এই সময়ে রাজশাহীর আম বাজারে এলে দামও পাওয়া যাবে। পাশাপাশি আগে থেকে আম পেড়ে নিলে ঝড় হলে আম পড়ে নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে না।একদিকে কার্বাইড-এ পাকানো আমের স্বাদ যেমন কম, তেমনই সেই আম খেলে স্বাস্থ্যের ক্ষতিরও সম্ভাবনা থাকছে। তবে শুধু যাঁরা আম খাচ্ছেন তাঁরাই নন, যে সমস্ত শ্রমিক আম প্যাকেজিং-এর কাজে নিযুক্ত, কার্বাইডের ব্যবহারে তাঁদেরও বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যাঁরা কার্বাইড মেশানো এই ধরনের আম খাওয়া, বা তা নিয়ে ঘাঁটাঘাটি করে, তাঁদের ক্যানসারের মতো মারণ রোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।আম গাছ থেকে পেড়ে সেগুলো কার্টুনে প্যাজেজিং করার সময়ই ক্যালসিয়াম কার্বাইড দেওয়া হয়। সামান্য কয়েকটি ক্যালসিয়াম কার্বাইডের দানা নিয়ে তা কাগজের মধ্যে মুড়িয়ে আমের পেটির মধ্যে রেখে দেওয়া হয়।তার উপরে পরপর আমগুলোকে সাজিয়ে রাখা হয়। এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই সমস্ত আম পেঁকে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও আমের গায়ে যদি ক্যালসিয়াম কার্বাইড লেগে যায় এবং সেই আম যদি কেউ খায় তাহলে তাঁরও শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ বাসা বাঁধ্তে পারে ।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ৩০ জানুয়ারি:- সবুজ আম পেটিতে ভর্তি করে পাইকারি বাজারের উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দিলেন চাষি। দু’, তিন দিন বাদে সেই আম যখন বাজারে এলো, তখন তা টুকটুকে হলুদ। ম্যাজিক নয়, ক্যালসিয়াম কার্বাইডের সৌজন্যে পাকা আমেও স্বাদ পাচ্ছেন না আম জনতা। এমনকী যে রাজশাহীর আমের জগৎজোড়া খ্যাতি, সেই রাজশাহীতেই অবাধে কার্বাইডের সাহায্যে আম পাকানো হচ্ছে। বাজার থেকে দাম দিয়ে পাকা আম কিনে নিয়ে গিয়েও তাই মন ভরছে না ক্রেতার।শ কিছু আম সুস্বাদু, পুষ্ট ও রসালো হয়ে বাজারে আসতে এখনও দেরি প্রায় সাত দিন। আগামী সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে সঠিক ভাবে পেকে বাজারে আসতে পারে যে আমগুলি, সেগুলো হল ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হিমসাগর। এখনই দেখা যাচ্ছে বেশ কিছু আম বাগানে আম পাড়ার হিড়িক পড়ে গেছে। কিছু আম ব্যবসায়ী অপুষ্ট আম পেড়ে তাতে ভয়ানক ‘ক্যালসিয়াম কার্বাইড’ মিশিয়ে বাজারে নিয়ে আসছে। ফলে যা দাঁড়াচ্ছে টক, বেস্বাদের আম খেতে হচ্ছে মানুষকে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর জন্য এই ধরনের কার্যকলাপ হচ্ছে। তাঁদের একটাই চিন্তা, এই সময়ে রাজশাহীর আম বাজারে এলে দামও পাওয়া যাবে। পাশাপাশি আগে থেকে আম পেড়ে নিলে ঝড় হলে আম পড়ে নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে না।একদিকে কার্বাইড-এ পাকানো আমের স্বাদ যেমন কম, তেমনই সেই আম খেলে স্বাস্থ্যের ক্ষতিরও সম্ভাবনা থাকছে। তবে শুধু যাঁরা আম খাচ্ছেন তাঁরাই নন, যে সমস্ত শ্রমিক আম প্যাকেজিং-এর কাজে নিযুক্ত, কার্বাইডের ব্যবহারে তাঁদেরও বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যাঁরা কার্বাইড মেশানো এই ধরনের আম খাওয়া, বা তা নিয়ে ঘাঁটাঘাটি করে, তাঁদের ক্যানসারের মতো মারণ রোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।আম গাছ থেকে পেড়ে সেগুলো কার্টুনে প্যাজেজিং করার সময়ই ক্যালসিয়াম কার্বাইড দেওয়া হয়। সামান্য কয়েকটি ক্যালসিয়াম কার্বাইডের দানা নিয়ে তা কাগজের মধ্যে মুড়িয়ে আমের পেটির মধ্যে রেখে দেওয়া হয়।তার উপরে পরপর আমগুলোকে সাজিয়ে রাখা হয়। এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই সমস্ত আম পেঁকে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও আমের গায়ে যদি ক্যালসিয়াম কার্বাইড লেগে যায় এবং সেই আম যদি কেউ খায় তাহলে তাঁরও শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ বাসা বাঁধ্তে পারে ।
No comments:
Post a Comment