নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ৩১ডিসেম্বরঃ-প্রশ্নঃ বিবাহিত যুগল গড়পড়তা কি রকম হারে যৌনমিলন করে থাকে?
উত্তরঃ যৌনমিলনের হার বস্তুত যুগলের বয়সের উপর নির্ভর করে। বয়সের সাথে
বিবাহিত মানুষের যৌনজীবনের সম্পর্ক নিয়ে এক গবেষনায় যেসব তথ্য পাওয়া
যায়, তা হলো-– ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী বিবাহিত যুগল বছরে গড়ে ১১২ বার যৌনমিলন করে, অথবা সপ্তাহে দুইবারের একটু বেশি।– ৩০ থেকে ৩৯ বছর বয়সী বিবাহিত যুগল বছরে গড়ে ৮৬ বার শাররীক মিলনে লিপ্ত
হন যা মাসে প্রায় ৭ বার হারে গননা করা যায়।– ৫০ থেকে ৫৯ বছর বয়সী যুগল বছরে ৬৯ বার অর্থাৎ গড়ে মাসে ৬ বারের একটু কমসংখ্যক বার।যৌনমিলন ক্রমশঃ নিন্মমুখি দেখা যায় – বিবাহের বয়স যত বাড়তে থাকে।এমনকি হতাশাগ্রস্ত বিবাহিত সম্পর্ককে রোমান্টিসাইজ করে যৌনজীবনে সুখ ফিরিয়ে আনা যায়, গবেষনায় দেখা যায় অবিবাহিতদের তুলনায় বিবাহিতরা যৌনজীবনে বেশি সুখি।
নারী-পুরুষের যৌন প্রবণতা বৃদ্ধি, তা কেবল ত্বকের অনুভূতিশীলতাত্বক আমাদের যৌনতাবোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইন্দ্রিয়। মিলন নারী-পুরুষকে যতখানি আনন্দ দান করতে পারে, তা কেবল ত্বকের অনুভূতিশীলতার জন্য। সমস্ত ইন্দ্রিয়ের মধ্যে ত্বকই সর্বাপেক্ষা প্রত্যক্ষ সম্বন্ধযুক্ত।যে সব স্থানে চুম্বন করলে নারীর যৌন প্রবৃত্তি জাগ্রত হয়, যৌন প্রবৃত্তি বৃদ্ধির জন্য নারীর সেসব বিশেষ স্থানে এগুলো নারীকে আরও উত্তেজিত করে তোলে। নারী হয়ে পড়ে বেসামাল। আর তখনই সে পুরুষের বাহুতে নিজেকে উৎসর্গ করে দেয় মন-প্রাণ উজাড় করে। আর এভাবেই শুরু হয় সেক্স আর্ট, সেক্স কলা। চুম্বন ত্বকান্দ্রিয়ের স্পর্শানুভূতির আর একটি উজ্জ্বল পন্থা। অধরোষ্ট অতিশয় চেতনাশীল অঙ্গ ত্বক ও শ্লৈষ্মিক ঝিল্লির সীমারেখা হওয়ায় এটা স্পর্শগুণে গুণান্বিত ও অত্যন্ত অনুভূতিশীল।এর সঙ্গে সঙ্গে প্রচণ্ড রকমের চেতনাশীল জিহ্বার সহযোগিতা থাকায় এটি নারী-পুরুষের যৌন চেতনা বৃদ্ধির অঙ্গ। ঠোঁট ও জিহ্বা প্রচণ্ড রকমের চেতনাশীল তাই এগুলো যৌনবোধে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ করে থাকে আলিঙ্গন নারী-পুরুষের ত্বকান্দ্রিয়ের স্পর্শানুভূতির অপর নিদর্শন। যৌনতায় আলিঙ্গন অতীব প্রয়োজনীয় অংশ হিসেবে কাজ করে থাকে। আলিঙ্গন সেক্স বাড়ায় যৌনতাকে করে আরও আকর্ষণীয়।আলিঙ্গন বা জড়িয়ে ধরা নারী-পুরুষের দেহের কোষে কোষে ছড়িয়ে দেয় স্পর্শানুভূতির অনাবিল সুখ। তাই যৌনক্রিয়ায় আলিঙ্গনের কথা মনে রাখা প্রয়োজন। মনে রাখতে হবে যে নারী-পুরুষের আলিঙ্গনও যৌনতার একটা অংশ। সুড়সুড়ি বা মর্দন ত্বকান্দ্রিয়ের অনুভূতির তৃপ্তিবোধক ব্যাপার। নারীর যৌন প্রদেশসমূহ কোমল বলে ওইসব স্থানে সুড়সুড়িবোধ খুবই বেশি।কাজেই হঠাৎ করে ওই সমস্ত স্থান স্পর্শ করা ঠিক নয়-স্পর্শ হওয়া প্রয়োজন ধীরে ধীরে, ধৈর্যের সাথে যৌনতায় এই সুড়সুড়ি নারীর সমস্ত যৌন চেতনাকে উন্মুখ করে দেয়। এই সুড়সুড়ির বর্ধিত মাত্রাই হলো মর্দন। মর্দন নারীর যৌনবোধকে উস্কে দেয়, নারীকে যৌনতায় আগ্রহী করে তোলে, নারীকে চূড়ান্ত মিলনের জন্য প্রস্তুত করে, নারীর যেসব বিশেষ জায়গায় সুড়সুড়ি দিলে যৌনচেতনা জাগ্রত হয়, যৌনচেতনা জাগ্রত হওয়ার সাথে সাথে ওইসব স্থানে পুরুষের প্রচাপনেরও প্রয়োজন হয়। নারী যৌন প্রবৃত্তির সময় তার পুরুষের স্পর্শ ও সুড়সুড়ি ও মর্দন কামনা করে, সে চায় তার পুরুষের হাতের কোমল ছোঁয়া, তৃপ্তিময় স্পর্শ।
No comments:
Post a Comment