জেনে নিন আমাদের দৈনন্দিন কোন অভ্যাসগুলো মেদ বাড়ার জন্য দায়ী - ব্রেকিং বাংলা

Breaking

Friday, October 25, 2019

জেনে নিন আমাদের দৈনন্দিন কোন অভ্যাসগুলো মেদ বাড়ার জন্য দায়ী




সকালের নাস্তা না খাওয়া
সারারাত ঘুমের পর সকালের পুষ্টিকর নাস্তা সারাদিনের শক্তি যোগায়। অনেকেই তাড়াহুড়া করে সকালের নাস্তা না খেয়েই কাজে বেরিয়ে যান, এটি খুবই অনুচিত। কারণ নাস্তা না খেলে শরীরের বিপাক ক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে মেদ জমতে শুরু করে।

ডেস্কের কাজ
সারাদিন ডেস্কে বসে কাজ করলে পেটের মেদ বেশি বাড়ে। নারী পুরুষ সবাই এ সমস্যায় ভোগেন। তাই ডেস্কে কাজ করতে হলে একটানা বসে কাজ করবেন না। মাঝে মাঝে উঠে হাটা হাটি করবেন।

পরিমান মত না খাওয়া
পরিমান মত না খাওয়া পেটের মেদ বাড়ানোর আরেকটি বড় কারণ। শরীরকে সুন্দর গঠনে এবং সুস্থ রাখতে পরিমান মত পুষ্টিকর খাবার খাওয়া জরুরি। অনেকেই রয়েছেন না ভেবেই যখন তখন অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে ফেলেন। এই অভ্যাস মেদ বাড়ানোর জন্য দায়ী।

শারীরিক ব্যায়াম না করা
সুস্থ থাকার জন্য শারীরিক ব্যায়াম করার কোন বিকল্প নেই। শারীরিক ব্যায়াম শরীরের অপ্রয়োজনীয় বাড়তি ক্যালরি পুড়িয়ে ফেলে। তাই যখন নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম বা হাটা হাটি করা শুরু করবেন তখন আস্তে আস্তে পেটের মেদও কমতে শুরু করবে।

রাতে দেরি করে খাওয়া
আমরা জানি খাওয়ার পর তা হজম হওয়ার জন্য যথেষ্ট সময়ের প্রয়োজন। রাতে ভরপেট খাবার খেয়ে সাথে সাথেই ঘুমাতে গেলে সেই খাবার সঠিকভাবে হজম হওয়ার সময় পায়না এর ফলে তা পেটের মেদ হিসেবেই জমা হয়।

অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
প্রক্রিয়াজাত খাবার, কার্বনেটেড ড্রিঙ্কস, এলকোহল, ফাস্ট ফুড ইত্যাদি জাতীয় খাবারগুলো দেহে খুব দ্রুত ক্যালোরির পরিমাণ বাড়ায়। কারণ এসব খাবারগুলোতে চিনি ও ক্যালরির পরিমান খুব বেশি থাকে যা পেটের মেদ বৃদ্ধির জন্য দায়ী।

রাত জাগা বা ঘুমের অপর্যাপ্ততা
সুস্বাস্থ্যের জন্য রাতে ৭ – ৮ ঘণ্টা ঘুম জরুরি। রাতে ঘুম না হওয়াও মেদ বাড়ার জন্য দায়ী। অনেকে রাত জেগে কাজ করেন এতে ঘুম কম হয় ফলে মেদ বাড়তে থাকে অনিয়ন্ত্রিতভাবে। আর রাতে ঘুমানোর অন্তত ৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করুন। রাতে ক্ষুধা লাগলে স্ন্যাকস জাতীয় খাবার খাবেন না। ফল অথবা পুষ্টিকর খাবার খান।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad