কুমড়োর নামে নাক সিঁটকোন? বাড়িতে কুমড়ো হলেই মায়ের সঙ্গে রাগারাগি করেন? ভুল করছেন। এসব তো করবেনই না। এমনকী মোটা বন্ধুকেও কুমড়ো বলে ডাকবেন না।কুমড়োর নামে নাক সিঁটকোন? বাড়িতে কুমড়ো হলেই মায়ের সঙ্গে রাগারাগি করেন? ভুল করছেন। এসব তো করবেনই না। এমনকী মোটা বন্ধুকেও কুমড়ো বলে ডাকবেন না।
এমনকী কুমড়োর বীজও ফেলে দেবেন না। এই বীজও কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। শুধুই বীজ ফেললে যে গাছ হবে এমন নয়, এই বীজে সারবে অসুখও। যেমন বাতের ব্যথা- অনেকে বাতের ব্যথায় ভুগে থাকেন। বাতের ব্যথা থেকে মুক্তি দেবে মিষ্টি কুমড়োর বীজ। ভেঙে যাওয়া চর্বি হাড়ের সন্ধিস্থলে জমা হলে ব্যথা হয়। আর মিষ্টি কুমড়োর বীজ এই চর্বি জমা হতে বাধা দেয়।হাড়ক্ষয় রোধ- হাড়ক্ষয় রোধ করে মিষ্টি কুমড়ো। হাড়ক্ষয় রোগের প্রধান কারণ হলো শরীরে জিঙ্কের অভাব। জিংকসমৃদ্ধ প্রাকৃতিক খাদ্যের উৎস হলো মিষ্টি কুমড়োর বীজ। এটি হাড়ক্ষয় রোধ করে। কোলেস্টেরল কমায়-খাদ্য তালিকায় পর্যাপ্ত ফাইটোস্টেরল রক্তের কোলেস্টেরল কমায়। এছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এই ফাইটোস্টেরলের এক বিশেষ উৎস হলো মিষ্টি কুমড়ার বীজ।
আরো পড়ুন অন্য সংবাদ…..আমাদের ধারণা যে কোনও খাবার বা ফল যদি ফ্রেশ না হয় তাহলে তা মোটেই খাওয়া উচিত নয়। তাই কলা খাওয়ার আগে একটু কালো দাগ দেখা দিলেই আমরা কলা ফেলে দিই। একটু বেশি পেকে গেলেই কেউ আর কলা খেতে চান না। তবে জানেন কি এই পাকা কলার কত গুণ রয়েছে? একটু বেশি পাকা কলা দেখলে নাক সিঁটকোন? দেখে নিন কি কি উপকারিতা রয়েছে। কোশ ড্যামেজ থেকে বাঁচায় :কলার মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহের কোশগুলিকে রক্ষা করে। চট করে ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেয় না। যার ফলে অনেক রোগভোগের শঙ্কা কমে যায়। সহজে হজম হয় পাকা কলা খুব সহজেই হজম হয়। যারা মনে করেন কলা খেলে অ্যাসিডিটির সম্ভাবনা বাড়ে তাঁরা ভুল জানেন। তুলনায় সবুজ কলা হজম করা কঠিন
No comments:
Post a Comment