পাঁচ বছর আগের কথা। ভারতের লক্ষৌ’র যুবক গৌরব তখন এক নারীর সঙ্গে চুটিয়ে প্রেমই শুধু নয় বিয়েরও প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। হঠাৎই একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয় হয় পাকিস্তানি যুবক রিজওয়ানের সঙ্গে।পরিচয়ের সূত্রটা ছিলো পিএইচডি গবেষণা, যার বিষয় ছিলো ‘সুফিবাদ’।
রিজওয়ান সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিল। গবেষণায় গৌরবের নানা ত্রুটি দূর করতে রিজওয়ান ছিলো নিরলস। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এভাবে তাদের মধ্যে এক সুদৃঢ় বন্ধন তৈরী হয়। একসময় তারা আবিষ্কার করলো তাদের হৃদয়ের অনুভূতি আসলে অভিন্ন। একে অপরের সঙ্গে দেখা করতে তারা হয়ে পড়লো ব্যাকুল।
দু’জন দুদেশের বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও তারা সিদ্ধান্ত নিলেন দেখা করবেনই। তা যত কঠিনই হোক না কেন।
দু’জন দুদেশের বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও তারা সিদ্ধান্ত নিলেন দেখা করবেনই। তা যত কঠিনই হোক না কেন।
সেই গৌরব এখন ‘মিরা’!
হ্যা, ভালোবাসাই তাকে এমন করেছে। রিজওয়ানের প্রতি তীব্র আকর্ষন তাকে মেয়েতে পরিনত করেছে। এর জন্য অবশ্য তাকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। মুম্বাইয়ে ডাক্তারের ছুরির নিচে ইতোমধ্যেই সে তার পৌরুষত্বকে বিসর্জন দিয়েছে। অপারেশনের মাধ্যমেই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে তার মধ্যে নারীত্বের সব লক্ষণ।
রিজওয়ানের মা যখন তার ছেলের জন্য পাত্রী দেখা শুরু করলো, তখনই সে তার ভালোবাসাকে বুঝতে পেরেছিলো এবং এক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলো। পরিবারের সদস্যদের বাধাও তার পথে কাঁটা হতে পারেনি।
মিরার কথায়, “সুফিবাদই তাকে এমন শক্তি যুগিয়েছে।” তার মতে, সুফিবাদে চূড়ান্ত প্রেম এবং ভক্তি জাত, কূল-মান এমনকি লিঙ্গের বাধাও দূর করে দেয়।
হ্যা, ভালোবাসাই তাকে এমন করেছে। রিজওয়ানের প্রতি তীব্র আকর্ষন তাকে মেয়েতে পরিনত করেছে। এর জন্য অবশ্য তাকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। মুম্বাইয়ে ডাক্তারের ছুরির নিচে ইতোমধ্যেই সে তার পৌরুষত্বকে বিসর্জন দিয়েছে। অপারেশনের মাধ্যমেই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে তার মধ্যে নারীত্বের সব লক্ষণ।
রিজওয়ানের মা যখন তার ছেলের জন্য পাত্রী দেখা শুরু করলো, তখনই সে তার ভালোবাসাকে বুঝতে পেরেছিলো এবং এক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলো। পরিবারের সদস্যদের বাধাও তার পথে কাঁটা হতে পারেনি।
মিরার কথায়, “সুফিবাদই তাকে এমন শক্তি যুগিয়েছে।” তার মতে, সুফিবাদে চূড়ান্ত প্রেম এবং ভক্তি জাত, কূল-মান এমনকি লিঙ্গের বাধাও দূর করে দেয়।
No comments:
Post a Comment