বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াও অনেকসময় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক খেলে শরীরের ভাল ব্যাকটেরিয়াও ধ্বংস হয়ে যায়, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এ কারণে একান্ত নিরুপায় না হলে ছোটখাটো রোগে প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক খেতে পারেন। এগুলো আপনার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে।যেমন- ১. যেকোন ধরণের সংক্রমণ সারাতে রসুন দারুণ অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে।
২. খেতে মিষ্টি বলে নয়, মধু ব্যাকটেরিয়াজনিত সব ধরণের অসুখের জন্য উপকারী। এটি শরীরের খারাপ ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।
৩. নারকেল তেল চুল, ত্বকের জন্য বেশ উপকারী এটা সবারই জানা। কিন্তু এটা একটা প্রাকৃতিক অ্রান্টিবায়োটিক যা অনেরেই জানা নেই। বিশেষজ্ঞরে মতে, সুগন্ধযুক্ত নারিকেল তেল যেকোন ধরণের সংক্রমণ বা কফ সারাতেও উপকারী। এ কারণে তারা নারিকেল তেল দিয়ে খাবার রান্নারও পরামর্শ দিয়েছেন।
৪. অ্যালোভেরা শুধু ত্বকের জন্যই যে ভাল তা নয়। হজমশক্তি বাড়াতে, দাঁত এবং ত্বকের সংক্রমণের জন্যও এটি উপকারী।
৫. আদাও প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে। হজমসংক্রান্ত যেকোন সমস্যা, অস্থিসন্ধিতে ব্যথা দূর করার ক্ষেত্রে আদার জুড়ি নেই। মনে রাখবেন, চিকিৎসক যদি বড় কোনও সমস্যার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার পরামর্শ দেন তাহলে তা বন্ধ করা ঠিক নয়। উপরের উপাদানগুলো আপনার শরীর অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হতে সাহায্য করবে।
No comments:
Post a Comment