জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) জানিয়েছে, ২০১১ সালে যুদ্ধ শুরুর আগে সিরিয়ার মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) দ্বিতীয় প্রধান খাত ছিল কৃষি৷ জিডিপির ১৯ শতাংশ এ খাত থেকে আসতো৷ অর্থনৈতিকভাবে সক্রিয় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ২৫ শতাংশ ছিল কৃষির সঙ্গে জড়িত৷ দেশটির রপ্তানি আয়ের বড় খাতও ছিল কৃষি৷ পশুসম্পদ রপ্তানি করে প্রতিবছর ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হতো তাদের৷
চলতি বছরে সিরিয়ার সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আট বছরের যুদ্ধে সিরিয়ার কৃষি উৎপাদন অর্ধেকে নেমে আসে৷ কৃষি জমি, শস্য এবং কৃষি অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদনে এমন ধ্বস নামে৷
২০১৫ সালে বিদ্রোহীদের রাশিয়া-সমর্থিতদের বিজয়ের পর এখন প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকারের নিয়ন্ত্রণে আছে দেশটির ৬০ ভাগ ভূখণ্ড৷ কিন্তু যুদ্ধে মারাত্মক ক্ষতি সাধিত হওয়ায় অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে হিমশিম খাচ্ছে তারা৷বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির বলছে, সিরিয়ার সাড়ে ৬০ লাখ মানুষ ‘খাদ্য অনিরাপত্তার’ মধ্যে আছে৷ যারা জানেন না, তাদের পরবর্তী বেলার খাবার কোথা থেকে আসবে৷
২০১৮ সালে ৩০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম কৃষি উৎপাদন হয়েছিল সিরিয়ায়৷ তবে প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলে এ বছর বিপুল পরিমাণ কৃষি উৎপাদন হতে চলেছে দেশটিতে৷
No comments:
Post a Comment