ইতোমধ্যে এমন একটি প্রকল্পে ২০ লাখ মার্কিন ডলার অর্থ বরাদ্দও করেছে দেশটি - ব্রেকিং বাংলা

Breaking

Wednesday, September 11, 2019

ইতোমধ্যে এমন একটি প্রকল্পে ২০ লাখ মার্কিন ডলার অর্থ বরাদ্দও করেছে দেশটি




সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের অদূরে পূর্ব গোতা এলাকার কৃষি অফিসের কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুহিদ্দিন বলেন, দেশের যুদ্ধ-বিধ্বস্ত এলাকার খামার মালিকরাও অন্তর্ভূক্ত থাকছেন প্রকল্পে সুবিধাভোগীদের মধ্যে৷স্থানীয়ভাবে এসব মুরগি ও পোল্ট্রি ফিড প্রক্রিয়াজাত করা হবে বলে জানান তিনি৷কৃষকদের স্বাবলম্বী করা এবং তাদের জমি পুনরায় আবাদ করাই থাকছে এই উদ্যোগের বৃহৎ পরিকল্পনায়৷ কৃষকদের বীজ এবং প্রাণী সম্পদের জন্য ওষুধ ও টিকা সরবরাহের পাশাপাশি সেচের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা করছে সরকার৷

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) জানিয়েছে, ২০১১ সালে যুদ্ধ শুরুর আগে সিরিয়ার মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) দ্বিতীয় প্রধান খাত ছিল কৃষি৷ জিডিপির ১৯ শতাংশ এ খাত থেকে আসতো৷ অর্থনৈতিকভাবে সক্রিয় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ২৫ শতাংশ ছিল কৃষির সঙ্গে জড়িত৷ দেশটির রপ্তানি আয়ের বড় খাতও ছিল কৃষি৷ পশুসম্পদ রপ্তানি করে প্রতিবছর ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হতো তাদের৷

চলতি বছরে সিরিয়ার সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আট বছরের যুদ্ধে সিরিয়ার কৃষি উৎপাদন অর্ধেকে নেমে আসে৷ কৃষি জমি, শস্য এবং কৃষি অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদনে এমন ধ্বস নামে৷

২০১৫ সালে বিদ্রোহীদের রাশিয়া-সমর্থিতদের বিজয়ের পর এখন প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকারের নিয়ন্ত্রণে আছে দেশটির ৬০ ভাগ ভূখণ্ড৷ কিন্তু যুদ্ধে মারাত্মক ক্ষতি সাধিত হওয়ায় অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে হিমশিম খাচ্ছে তারা৷বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির বলছে, সিরিয়ার সাড়ে ৬০ লাখ মানুষ ‘খাদ্য অনিরাপত্তার’ মধ্যে আছে৷ যারা জানেন না, তাদের পরবর্তী বেলার খাবার কোথা থেকে আসবে৷

২০১৮ সালে ৩০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম কৃষি উৎপাদন হয়েছিল সিরিয়ায়৷ তবে প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলে এ বছর বিপুল পরিমাণ কৃষি উৎপাদন হতে চলেছে দেশটিতে৷

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad