সপ্তমী থেকে নবমী পূজার 3 দিন পাঠা বলি হয়। আর দশমীতে যারা দেবী দূর্গার বিসর্জনে শামিল হন তাদের গায়ে তেল হলুদ মাখাতে হয়। প্রায় 200 বছরের পুরনো চাচোল এর মিশ্র এর বাড়ির মান্না পুজোয় এই নিয়ম মানা হয়ে আসছে।
চাচল 2 নম্বর ব্লকের গৌড় হণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের ডুমরো গ্রামে জমিদার প্রাচীন বাড়ি এই জমিদার বাড়ির পুজো দেখতে আশপাশের গ্রামের মানুষেরা ভিড় করেন পরিবারের পাশাপাশি গ্রামবাসীদের ও আবেগ জড়িয়ে রয়েছে এখনও
জানা গেল প্রায় 200 বছর আগে। তৎকালীন জমিদার ছিলেন গোলকনাথ মিশ্র। তিনি স্বপ্নে দেবী দুর্গার দর্শন পান দেবী আদেশ তন্ত্র মতে পাঠা বলির মাধ্যমেই শুরু হয় পুজো সেই নিয়ম আজও মনে হয় সপ্তমী থেকে নবমী তিনদিনে মোট সাতটি পাঠা বলি দেওয়া হয় দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের কিছু নিয়ম রয়েছে মায়ের মূর্তি বিসর্জন করবেন তাদের প্রত্যেকে তেল হলুদ মাখাতে হয় দুর্গাপ্রতিমা ওই গ্রামেরই কুসুম কামিনি ঘাটে বিসর্জন করা হয় গোপীনাথ গোপী নাথ মিশ্রর ক্রীদ নাম ছিল কুসুম কামিনী তার নাম অনুসারে ঘাটের নামকরণ করা হয় সেই প্রাচীনকাল থেকে ওই ঘাটে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয় পাশাপাশি নবমীর দিন পংক্তি ভোজনের ও আয়োজন করা হয় মিশ্র পরিবারের বর্তমান উত্তরসূরী সুশান্ত মিশ্র বলেন পুজোর কয়দিন আমরা সকলে মিলে আনন্দ করি এই সময় পরিবারের সকলে বাড়িতে আসেন প্রতিমা বিসর্জনের পর সকলেরই মন খারাপ থাকে দুঃখ ভোলার জন্য বহুদিন ধরেই মেলার আয়োজন করা হয়ে আসছে
No comments:
Post a Comment