নারীদের মিলনের প্রতি সন্তুষ্টি বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধি পায় - ব্রেকিং বাংলা

Breaking

Tuesday, September 10, 2019

নারীদের মিলনের প্রতি সন্তুষ্টি বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধি পায়



‘গর্ভাবস্থা’ নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। জীবনে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা এখানেই। প্রথমবারের মতো মা হবে, এমন অনেক নারীর মনে শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকে। চিকিৎসকদের মতে, গর্ভাবস্থায় মাত্র একবার শারীরিক সম্পর্কে ১০ লাখ সুবিধা নিহিত রয়েছে। এসময় মিলনের ফলে মা ও বাচ্চা দুজনই সুস্থ থাকেন। তবে মা ও অনাগত সন্তানের সুস্থতার বিষয়টি মাথায় রেখে অবশ্যই নির্দিষ্ট সময়ে নিরাপদ শারীরিক সম্পর্ক করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

সংক্রমণ মুক্ত-গর্ভাবস্থায় মায়ের নানা রোগে সংক্রমিত হওয়ার প্রবণতা সব থেকে বেশি থাকে। এসময় যৌন মিলন যেন নারীর শরীরে ওষুধ হিসেবে কাজ করে। কেননা মিলনের ফলে মায়ের শরীরে এন্টিবডি তৈরি হয়, যা তার শরীরকে যেকোনো সংক্রমণ থেকে নিরাপদ রাখে। এতে মৌসুমিগত ঠাণ্ডা ও জ্বরজনিত ভাইসার সহজেই আক্রান্ত করতে পারে না।

ঘন ঘন টয়লেট-প্রেগন্যান্সিতে ঘন ঘন টয়লেটে যাওয়া নিয়ে অনেকেই বিরক্ত। গর্ভাবস্থায় নারীদের এই বিরক্তি দূর করতেই ডাক্তাররা নিয়মিত শারীরিক সম্পর্কের পরামর্শ দেন। শারীরিক সম্পর্কের ফলে নারীদের জরায়ুর পেশীগুলো আরও মজবুত হয়। এতে প্রসব বেদনায় শক্তি পান তারা। এছাড়া ঘন ঘন প্রসাবের চাপও কমে যায়।

ব্লাড সার্কুলেশন ভালো থাকে-আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি, প্রেগন্যান্সির সময় শারীরিক সম্পর্ক শরীরে রক্তচাপের পরিমাণ কমায়। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রেগন্যান্সির প্রথম তিন মাসে নারীদের মধ্যে ক্লান্তি ও অলসতা দেখা দেয়। এসময় মিলনের ফলে মায়ের শরীরে বেশ কিছু হরমোন নিঃসৃত হয় যা বাচ্চার বিকাশে সহায়তা করে। পাশাপাশি মায়ের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে।

জটিলতা হ্রাস-সাধারণত গর্ভকালীন ২০ সপ্তাহের পর থেকে নারীর শরীরে গর্ভপাতের মতো নানা ধরনের জটিলতা দেখা দেয়। এমনকি ব্লাড প্রেসারে মাত্রাও স্বাভাবিক থেকে বেড়ে যায়। তাই গর্ভকালীন সময়ে শারীরিক সম্পর্ক অত্যন্ত জরুরি।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad