দিন ক্রমশই এগিয়ে আসছে। উৎসব প্রিয় বাঙালীর মনে তাই আনন্দের উচ্ছ্বাস। শুধু মাত্র প্রতিমা নির্মান মন্ডপ নির্মান বা আলোক সজ্জ্বা নয়। শারদীয়ার অন্যতম আকর্ষন দেবী অলংকারও। তাই এখন মালাকার শিল্পীদের ব্যস্ততা তুঙ্গে। দুর্গা প্রতিমাকে অলংকারা করে তুলতে দিনরাত কাজ চলেছেন তারা। জমকালো বুলন সেটের সাজে দেবীর উজ্জ্বলতা যেন বৃদ্ধি পায় বহুগুন। এইসব সাজ তৈরীতে এখন বেজায় ব্যস্ত উত্তর দিনাজপুর জেলার এক মাত্র কালিয়াগঞ্জের পুর এলাকার দক্ষিন আখানগর শিল্পী সুনীল মালাকার। দুর্গা কৈলাশ থেকে কতটা সেজেগুজে আসেন তা নিয়ে শান্ত্রে দ্বিমত থাকতেই পারে। এখন দেবীকে অলংকারে সাজানোর দায়িত্বে মালাকার শিল্পীদের। বিভিন্ন জায়গা থেকে শোলা গাছের কান্ড কিনে এনে শুকিয়ে নানান ডিজাইনে কেটে তৈরী হয় দেবীর অলংকার। আর সেই অলংকার ভূষিতা দেবীকে দেখতে যখন মন্ডপে মন্ডপে ভীড় জমান দর্শনার্থীরা, তখনও এই শিল্পীদের পরিবার ব্যস্ত থাকে শোলার অলংকার নির্মানে। পুজোর আগে তাই এখন ভীষন ব্যস্ত শোলা শিল্পীরা। এই কাজ তাঁদের বাপ ঠাকুরদার আমলে থেকে চলে আসছে। এই শোলা গুলি আনতে হয় জেলার ইটাহার ব্লক ও মালদা জেলার বিভিন্ন ব্লক থেকে। পাশাপাশি শিল্পীরা আরও জানান যুগ যুগ ধরে দেবীর অলংকার তৈরী করে আচ্ছেন। তাই এবারেও পুজোর আগে শিল্পীমনের আবেগকে সঙ্গী করে দেবীর অলংকার তৈরীতে বেজায় ব্যস্ত মালাকার শিল্পীরা। তাঁদের হাতের তৈরী শোলার অলঙ্গার গুলি শুধু এই জেলায় নয় পাশের জেলা সহ ভিন রাজ্যে যায়। পায়কারের রা কিংবা মৃত শিল্পীরা এসে শোলার তৈরী দেবীর অলঙ্কার গুলি নিয়ে যায় বলে জানান মালাকার শিল্পী সুনীল মালাকার। এদিকে সুনীল মালাকারের ৭০ বছরে সহ ধর্মিনী মায়া মালাকার জানান সংসারের সমস্ত কাজ মিটিয়ে যতটা সময় পান তা তিনি তার স্বাামী কে সহ যোগীতা করেন। কারন তার স্বামীর কাজ থেকেই এক শিখেছেন। আর সোলার অলঙ্কার তোই করতে ভালো লাগে। যতদিন বেচে থাকবেন ততদিন কাজ চালিয়ে যাবেন তাঁরা। তাই হাতে আর সময় না থাকায় চরম ব্যস্ততা বুলেন শিল্পী দের মধ্যেই।
Tuesday, September 10, 2019
দেবীর অস্ত্র ও সাজ শিল্পের ওপর দাঁড়িয়ে মানব জীবন
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment