ব্রিটেনের গবেষকদের দাবি, দেশটিতে ‘গেম অফ থ্রোনস’ ধারাবাহিকটি স্বাভাবিক যৌনমিলনের ক্ষেত্রে বিরাট বাধা। মোদ্দা কথা, বিনোদনের নানা ক্ষেত্র যত বাড়ছে, যৌনেচ্ছা নাকি তত কমছে।নজর দেয়া যাক প্রতিবেশি দেশ ভারতের দিকে। কয়েক বছর আগে এক মোবাইল নেটওয়ার্ক কোম্পানির ক্যাম্পেনের বিষয়বস্তু ছিল, ভারতের মতো বিরাট জনসংখ্যা-জনঘনত্বের দেশের জনসংখ্যা কমানোর রাস্তা একটাই। জনগণকে আরও বেশি করে বিনোদনের মধ্যে নিমজ্জিত করে দাও। তারা খেলা দেখুক, সিনেমা দেখুক, ইউটিউবে শিলা কি জওয়ানি দেখুক, ভারচ্যুয়াল ক্লাবঘরে বসে তাস পিটুক— যা খুশি করুক, কিন্তু কোনও ভাবেই যেন একঘেয়েমিতে না ভোগে। কারণ একঘেয়েমি হলেই যৌন ইচ্ছে জন্মাবে। আর তা হলেই সন্তান। ওরে বাবা! জনসংখ্যা কমানোর দাওয়াই বটে!
কিঞ্চিৎ চটুল বলে মনে হলেও, আসলে এই বিজ্ঞাপনে যৌনতা সম্পর্কে যে একটা সারসত্য বলা হয়, তা হাতেনাতে টের পাচ্ছে ইংল্যান্ড। জীবনে বিনোদনের কোনও সীমা নেই। তাই জীবন থেকে হাওয়া যৌনতা। আর যৌনতার সবচেয়ে বড় শত্রু, আর কেউ নয়, টেলিভিশন।
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডেভিড স্পিগেলহলটার সম্প্রতি একটি পরিসংখ্যানমূলক গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন। তাতে দেখা যাচ্ছে, গত ২০ বছরে ইংল্যান্ডে যৌনতার পরিমাণ কমে গিয়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ। আর তার মধ্যে চলতি বছরে যৌনতার পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে সবচেয়ে বেশি। কিছু দিন ধরেই অনেক বিশেষজ্ঞ দাবি করছিলেন, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট-এর মতো ডিভাইসের কারণে যৌনতার প্রতি আকর্ষণ কমছে সারা পৃথিবীর মানুষের। এবার তার সঙ্গে টেলিভিশনের কারণে যুক্ত হয়েছে আরও একটি নাম— ‘গেম অফ থ্রোনস’। হ্যাঁ, জনপ্রিয় টেলিভিশন শো-টি।
No comments:
Post a Comment