ত্বকের ধরণ অনুযায়ী কসমেটিকস ব্যবহারের কথা আমরা জানি। আর বিশেষ যত্নে যে প্যাক ব্যবহার হয়, সেগুলোও ত্বকের ওপর নির্ভর করেই নির্ধারণ করা হয়। মুখ ধোয়ার নিয়মও ভিন্ন এটা সেভাবে শোনা যায়নি আগে। তবে সুন্দর, কোমল ও উজ্জ্বল ত্বকের জন্য মুখ ধোয়ার আলাদা ধরণও জানতে হবে।
কেমন ত্বক কীভাবে ধুতে হবে, জেনে নিন:
শুষ্ক ত্বক
মুখ খুব শুকনো হলে প্রথমে সামান্য ফেস অয়েল মুখে মেখে নিন, তারপর টিস্যু দিয়ে মুছে ২ থেকে তিন ড্রপ ক্লিনজ়ার লাগান। এক মিনিট ম্যাসাজ করে মুখ ধুয়ে পরিষ্কার তোয়ালে চেপে চেপে মুছে নিন। এবার ময়েশ্চারাইজ়ার লাগিয়ে নিন।
মুখ খুব শুকনো হলে প্রথমে সামান্য ফেস অয়েল মুখে মেখে নিন, তারপর টিস্যু দিয়ে মুছে ২ থেকে তিন ড্রপ ক্লিনজ়ার লাগান। এক মিনিট ম্যাসাজ করে মুখ ধুয়ে পরিষ্কার তোয়ালে চেপে চেপে মুছে নিন। এবার ময়েশ্চারাইজ়ার লাগিয়ে নিন।
তৈলাক্ত ত্বক
আপনার ত্বক যদি তৈলাক্ত হয়, তা হলে ফোম বেসের ফেসওয়াশ বা ক্লিনজিং জেল নিন। ফেসওয়াশ এমন হওয়া চাই যা ত্বকের প্রাকৃতিক তেলের আবরণ নষ্ট না করেও গভীর থেকে মুখ পরিষ্কার করতে পারে।
মিশ্র ত্বক
কম্বিনেশন বা মিশ্র ত্বক হলে মুখ ধোয়ার জন্য ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন। প্রথমে মুখটা পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিন, তারপর ফেসওয়াশ লাগিয়ে হালকা হাতে গোটা মুখে ম্যাসাজ করুন। তেলতেলে অংশটায় ভালো করে মাখবেন। পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে স্ক্রাব লাগান। নাকের দু’পাশে, চিবুকে আর কপালে হালকা ম্যাসাজ করে মৃত কোষ আর তেলময়লা তুলে দিন। ধোয়ার পর চেপে চেপে মুখ মুছে টোনার লাগান।
কম্বিনেশন বা মিশ্র ত্বক হলে মুখ ধোয়ার জন্য ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন। প্রথমে মুখটা পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিন, তারপর ফেসওয়াশ লাগিয়ে হালকা হাতে গোটা মুখে ম্যাসাজ করুন। তেলতেলে অংশটায় ভালো করে মাখবেন। পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে স্ক্রাব লাগান। নাকের দু’পাশে, চিবুকে আর কপালে হালকা ম্যাসাজ করে মৃত কোষ আর তেলময়লা তুলে দিন। ধোয়ার পর চেপে চেপে মুখ মুছে টোনার লাগান।
* সংগৃহীত।

No comments:
Post a Comment