৮১,৮৯,৯১,৯২,৯৩,৯৪,৯৫,৯৬,৯৭,৯৮,৯৯,১০০ দক্ষিণ কলকাতার এই সকল ওয়ার্ড গুলিতে দীর্ঘদিন ধরে পানীয় জলের সমস্যা রয়েছে।সম্প্রতি নিজেও স্বীকার করে নিয়েছেন দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে পরিস্রুত পানীয় জল সরবরাহের ক্ষেত্রে বাধা রয়েছে। শুক্রবার 10 নম্বর বরোর অন্তর্ভুক্ত হোয়ার্ড গুলির বাসিন্দারা হাঁড়ি কলসি বালতি নিয়ে বিক্ষোভ দেখান বরো অফিসের সামনে। অতি সম্প্রতি এই সকল অঞ্চলগুলিতে ডায়রিয়া ও জন্ডিস এর মত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই পুরসভার স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে এলাকার বিভিন্ন পানীয় জলের উৎস থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। যদিও পুরসভার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে সকল পানীয় জলের উৎস থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল সেখানে কোথাও এই ধরনের জল বাহিত রোগের জীবাণুর হদিস মেলেনি। পুরো সবার পক্ষ থেকে দাবি করা হয় এলাকার স্থানীয় ভাবে প্রস্তুত বাজারজাত তথাকথিত পানীয় জলের থেকেই এই ধরনের রোগ ছড়িয়ে ছিল এলাকাতে।ইতিমধ্যেই পুরসভার পক্ষ থেকে স্থানীয় ভাবে প্রস্তুত ও বাজারজাত তথাকথিত পানীয় জলের প্রস্তুত সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু হয়েছে। যদিও 10 নম্বর বরো অঞ্চলের বিভিন্ন ওয়ার্ডের মানুষের দাবী দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে গার্ডেনরিচ পাম্পিং স্টেশন এ পরিশ্রুত পানীয় জল ঠিকমতো পৌঁছায় না।2011 সালের পরে বর্তমান তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত ক্ষমতায় আসার পর দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন অংশে বোরিং এর মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ জলতুলে পরিশ্রুত করে গার্ডেনরিচ পাম্পিং স্টেশন এর পানীয় জলের সঙ্গে মিশিয়ে সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নেয়।এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ এতেও এলাকার পানীয় জলের অভাব মেটে নি বরং গার্ডেনরিচ এবং ভূগর্ভস্থ পানি ও জল মেশানো ফলে জলের গুণগত মান নিম্নমুখী হয়েছে যার ফলে জল বাহিত রোগ দেখা দিচ্ছে গ্রীষ্মকালে।
Saturday, July 27, 2019
জল বিদ্রোহ খোদ কলকাতায়
৮১,৮৯,৯১,৯২,৯৩,৯৪,৯৫,৯৬,৯৭,৯৮,৯৯,১০০ দক্ষিণ কলকাতার এই সকল ওয়ার্ড গুলিতে দীর্ঘদিন ধরে পানীয় জলের সমস্যা রয়েছে।সম্প্রতি নিজেও স্বীকার করে নিয়েছেন দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে পরিস্রুত পানীয় জল সরবরাহের ক্ষেত্রে বাধা রয়েছে। শুক্রবার 10 নম্বর বরোর অন্তর্ভুক্ত হোয়ার্ড গুলির বাসিন্দারা হাঁড়ি কলসি বালতি নিয়ে বিক্ষোভ দেখান বরো অফিসের সামনে। অতি সম্প্রতি এই সকল অঞ্চলগুলিতে ডায়রিয়া ও জন্ডিস এর মত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই পুরসভার স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে এলাকার বিভিন্ন পানীয় জলের উৎস থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। যদিও পুরসভার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে সকল পানীয় জলের উৎস থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল সেখানে কোথাও এই ধরনের জল বাহিত রোগের জীবাণুর হদিস মেলেনি। পুরো সবার পক্ষ থেকে দাবি করা হয় এলাকার স্থানীয় ভাবে প্রস্তুত বাজারজাত তথাকথিত পানীয় জলের থেকেই এই ধরনের রোগ ছড়িয়ে ছিল এলাকাতে।ইতিমধ্যেই পুরসভার পক্ষ থেকে স্থানীয় ভাবে প্রস্তুত ও বাজারজাত তথাকথিত পানীয় জলের প্রস্তুত সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু হয়েছে। যদিও 10 নম্বর বরো অঞ্চলের বিভিন্ন ওয়ার্ডের মানুষের দাবী দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে গার্ডেনরিচ পাম্পিং স্টেশন এ পরিশ্রুত পানীয় জল ঠিকমতো পৌঁছায় না।2011 সালের পরে বর্তমান তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত ক্ষমতায় আসার পর দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন অংশে বোরিং এর মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ জলতুলে পরিশ্রুত করে গার্ডেনরিচ পাম্পিং স্টেশন এর পানীয় জলের সঙ্গে মিশিয়ে সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নেয়।এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ এতেও এলাকার পানীয় জলের অভাব মেটে নি বরং গার্ডেনরিচ এবং ভূগর্ভস্থ পানি ও জল মেশানো ফলে জলের গুণগত মান নিম্নমুখী হয়েছে যার ফলে জল বাহিত রোগ দেখা দিচ্ছে গ্রীষ্মকালে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment