বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বাড়ি বাড়ি পৌঁছলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্ - ব্রেকিং বাংলা

Breaking

Monday, July 15, 2019

বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বাড়ি বাড়ি পৌঁছলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্


উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপুকুর ব্লকের বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বাড়ি বাড়ি পৌঁছলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী গোলাম রব্বানী সহ পঞ্চায়েত ও জেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিরা। সোমবার সবচাইতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ধরমপুর দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের মালদুয়ার গ্রামে পৌঁছে এলাকা পরিদর্শন করার পর সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা সরাসরি শোনেন মন্ত্রী। এরপর সেখানে দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তড়িঘড়ি বন্যা দুর্গতদের জন্য ত্রাণশিবির খোলা হয় উপস্থিতিতেই ।সেই শিবির থেকে আটচল্লিশ টি গ্রামের মানুষদের জন্য প্রয়োজনীয় খাবার, ত্রিপল সহ বিভিন্ন ত্রাণ সরবরাহ করা হয়। মন্ত্রী গোলাম রাব্বানী জানান, তিনি কলকাতা ছিলেন। রাজ্যের অনেক জায়গায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ তাকে ছুটে আসতে হয় ।বন্যা দুর্গতদের জন্য এদিন সকাল থেকেই দিনভর ওই গ্রামটির পাশাপাশি পান্জিপারা, পোখরিয়া, সাহাপুর দুই সহ একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন গ্রাম পরিদর্শন করেন তিনি এবং সমস্যার কথা শুনে সঙ্গে সঙ্গেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। এদিন মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন ধরমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রুমি পারভীন,উপপ্রধান নুর ইসলাম এবং জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ গোলাম রসূল সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা। বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেও সেখানে আদৌ গোয়ালপুকুর এক ব্লকের বিডিও পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী যদিও এর পরেই বিডিও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে পৌঁছেট্রেন বন্টন করেন বলে জানা গেছে। এদিন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে এই পরিদর্শনের পর সেখানে গোয়ালপুকুর থানা ওসি এন টি ভুটিয়া নিজেই তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে চিড়া, মুড়ি, গুড়,বিস্কুট বন্যা দুর্গতদের হাতে পৌঁছে দেন। অন্যদিকে প্রায় দশ দিনের বেশি সময় ধরে লাগাতার বৃষ্টিতে যে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে গোয়াল পুকুরের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে; সেখানে একদিকে রীতিমতন বিপর্যস্ত স্বাভাবিক জীবনযাপন এবং অন্যদিকে গৃহবন্দী হয়ে রয়েছে কয়েক শতাধিক মানুষ। ভেঙে পড়েছে অজস্র গাছ। কারোর বা চালের ছাউনি উড়ে গেছে।হাসকুন্ডা এলাকায় পাঁচটি কালভার্ট ডুবে গেছে। বন্ধ হয়ে গেছে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে পঠন পাঠন ব্যবস্থা। লক্ষ লক্ষ টাকা ক্ষতির শিকার সাধারণ মানুষ। তারা মন্ত্রীর কাছে ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad