#ভালোবাসার_ইস্তেহার মেয়েটার বয়স তখন মাত্র কুড়ি আর ছেলেটা মেয়েটির আন্দাজে বেশ ভালোই বুড়ো,এই সাতাশ মতন হবে।'সফটওয়ার কোম্পানিতে আইটি মেশিন পাওয়া যায়,হিউমারাস ছেলে নয়' এই ধারণা নিয়েই কোর ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের মেয়েটি ইনফরমেশন টেকনোলজির ছেলেটির সাথে আলাপ জমিয়ে ফেললো।তারপর সময়ের সাথে সাথে কথার বেড়ে চলা,গল্পের এগিয়ে যাওয়া।উইটি আর হিউমার কে ছাপিয়ে যাওয়া এক অসাধারণ ছেলের দেখা মিললো সেবার। কিন্তু সময় সবার সাথে সমান তালে চলে না,তাই সেই গল্প ইগো আর আত্মসম্মানবোধের ভারে হারিয়ে গেলো কোনো এক সন্ধ্যায়। আবার হঠাৎ একবছর পরে তাদের দেখা কিন্তু সেবারে মেয়েটির জীবনে অনেক জটিলতা,গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করে কোলকাতা ছাড়ছে ফাইনালি।সেই শেষ দেখা,হাতে হাত রেখে আলতো চাপ।বন্ধু পাশে আছি... তারপর অজানা,অচেনা রোগের মতোই মান অভিমানের খেলায় বছর দেড়েক কোনো যোগাযোগ হয়নি।দু'জোড়া পা কোলকাতার যে রাস্তাগুলোয় একসাথে পা রেখেছিলো সেই রাস্তাগুলো অব্দি তাদের বেমালুম ভুলে গিয়েছে। বছর দেড় পরে কোলকাতায় পাকাপাকিভাবে ফিরে এলো মেয়েটা,কিন্তু এবারও জটিলতা পিছু ছাড়েনি।একরাশ হতাশার মাঝেই মেয়েটির মনখারাপের জন্মদিনে হঠাৎ সেই পুরোনো বন্ধুর দেখা করার ইচ্ছে।তারপর আর অভিমান জমা রাখতে পারেনি মেয়েটি।জুলাই মাসের শেষে পুড়ে যাওয়া কোলকাতায় যেমন এক পশলা বৃষ্টি আজ হাওয়া মাখিয়ে গেছে গোটা কোলকাতা জুড়ে, সেভাবেই সমস্ত রাগ অভিমানকে গায়ে মেখে মেয়েটা আবার দেখা করেছে পুরোনো বন্ধুর সাথে। একটা জংধরা,মরচে পড়া শেকল গা ঝাড়া দিয়ে তার পুরোনো রং,জৌলুস আর আভিজাত্যে তার হারিয়ে যাওয়া,হেলায় ফেলা শক্তি আবার সঞ্চয় করে ফেলেছে। আসলে ভালোবাসামাখা সম্পর্কগুলো বড্ড বেনামি হয়,পাল্টা হাওয়ার মতো অভিমানী হয়।আমরা শুধু হা হুতাশের দল হয়ে এই রাস্তায়,সেই রাস্তায় ঘুরে বেড়াই চাতকপাখির মতো।একফোঁটা বৃষ্টির জন্য রোদে মুখ মাখিয়ে,"ফটিকজল" বলে কেঁদে উঠি কিন্তু সেই কান্নার জলের ফোঁটায় মন ভাসাই না। "ভালোবাসি" কখনও বলতে নেই।মন আসলে সব খবরই রাখে,হাওয়ায় ভেসে আসা আলগা প্রেমে আরেক মনকে মাখে!!! #অসমাপ্ত_এলোমেলো_যাকিছুএকটা। লেখাটি তুলিকা বর্মনের ফেসবুক ওয়াল থেকে সংগৃহীত।
Wednesday, July 31, 2019
ফেসবুকের ওয়ালে ঢুকে প্রেমের দুষ্টুমি দেখুন লাইভ
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment