প্রেম ও পুরুষ মহিলা - ব্রেকিং বাংলা

Breaking

Sunday, July 21, 2019

প্রেম ও পুরুষ মহিলা


বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলাকালীন সময়ে স্ত্রীর প্রেমিককে ভরা স্টেশনেই ছুরি দিয়ে আঘাত করলেন স্বামী। শনিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বারাসত শিয়ালদহ রেল শাখার হৃদয়পুর স্টেশনের টিকিট কাউন্টারের সামনে। বীরভূমের বাসিন্দা করবী ঘোষের সাথে সাত বছর আগে বিয়ে হয় গোবরডাঙার সোমনাথ বিশ্বাসের।বিয়ের সময় করবীর বয়স ছিল পনেরো আর সোমনাথের ছিল পয়ত্রিশ।করবীর দাবি, কুড়ি বছরের বড়ো বরের সাথে বনিবনা হচ্ছিল না তার।এমনকি সংসারের শ্বশুর বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের সাথে গন্ডগোল লেগেই থাকত। করবী জানিয়েছে, বিয়ের পর করবীর পড়াশোনার ইচ্ছে হয়। সেই মত করবী গোবরডাঙার একটি স্কুলে নবম শ্রেনীতে ভর্তি হয়। বছর পাঁচেক আগে টিউশনি পড়তে গিয়ে পরিচয় হয় গোবরডাঙার বাসিন্দা প্রসেনজিত হালদারের সাথে। বিয়ের এক বছরের মধ্যে ২০ বছরের বড়ো স্বামীর সাথে সুসম্পর্ক না হয়ে প্রসেনজিতের সাথে সুসম্পর্ক্য তৈরি হয়। করবীর দাবি, সন্তান না হওয়া এবং পড়াশোনায় বাঁধা দিলে প্রসেনজিত মানসিক শক্তি যোগায়। তখন থেকে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক্য তৈরি হয়। করবী বলেন, আমি প্রসেনজিতের সাথে আমি সুখে জীবন কাটাতে চাই।আমি বাঁচতে চাই।সেকারনে এক বছর আগে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা রামপুরহাট আদালতে করি।কিছুদিন বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা বারাসত আদালতে আনা হয় রামপুরহাট আদালত থেকে।শনিবার সকালে করবী ও সোমনাথ বিবাহ বিচ্ছেদের মামলায় সই করে। বারাসত আদালতের কাজ শেষ করে করবী প্রেমিক প্রসেনজিতকে নিয়ে বারাসত প্রিন্সেফঘাট লোকাল ট্রেন ধরে। করবীর অভিযোগ , তাদের পিছু নেয় স্বামী সোমনাথ।ট্রেনের মধ্যেই চলে বচসা। যাত্রীরা তখন করবী প্রসেনজিত ও সোমনাথকে হৃদয়পুর স্টেশনে নামিয়ে দেয় । ট্রেন থেকে নেমেই প্রসেনজিত টিকিট কাউন্টারের সামনে যেতেই পিছন থেকে ছুরি দিয়ে হামলা করে। করবীর স্বামী সোমনাথের ছুরির আঘাতে প্রেমিক প্রসেনজিত জখম হন।প্লাটফর্মের লোকজন এগিয়ে আসতেই পালিয়ে যায় সোমনাথ।করবী জখম প্রেমিক প্রসেনজিতকে নিয়ে বারাসত হাসপাতালে গিয়ে চিকিতসা করে বারাসত জিআরপি থানায় স্বামী সোমনাথ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad