কাশ্মীরে পঞ্চায়েত ভোট হয়, কিন্তু পাহাড়ে ২০০০ সাল থেকে কোন পঞ্চায়েত ভোট হয়নি।কলকাতা হাইকোর্ট ২০১৭ সালের মার্চের মধ্যে পঞ্চায়েত ভোট করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।তারপরও পাহাড়ে কোন পঞ্চায়েত ভোট হচ্ছে না।আজ বারাসাত আদালতে হাজিরা দিতে এই আক্ষেপ করেন হরকা বাহাদুর ছেত্রী।তার দাবী কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সক্রিয় আর পাহাড়ের মানুষ ভারতীয় নাগরিক থাকার আন্দোলন করছে।তবু কেন পাহাড়ে পঞ্চায়েত ভোট হবে না। কেন বঞ্চিত থাকবে গ্রামের মানুষ প্রশ্ন তোলেন হরকা বাহাদুর ।পাহাড়ে বিজেপির জয়ের জন্য রাজ্য সরকারকে দায়ী করেন এদিন।হরকার দাবী পাহাড়ে পুলিশের জুলুমে জনরোষের জেরে বিজেপির জয় এসেছে।তার দাবী এখন পাহাড় লোকাল বডির ভোট হলে একটি আসনও জিততে পারবেনা বিজেপি।আত্মবিশ্বাস এর অভাব থাকার কারনের বিনয় তামাং ও রাজ্য সরকার জিটিএর ভোট করাচ্ছে না।২০১৬ সালের মে মাসে এই ভোট হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি।রাজ্য সরকারের কারনেই পাহাড়ের গনতন্ত্রের এখন দমবন্ধ করা অবস্থা। হরকা এদিন এক হাত নেন বিমল গুরুং কেও।পাহাড়ে গুুরুং না ফেরের কারন হিসাবে হরকার মত গুরুং ও তার সমর্থকরা আত্ম বিশ্বাসী নয় বলেই পাহাড়ে ফিরছেন না।তবে এদিন আদালতে দাড়িয়ে পাহাড়ে জিটিএতে অডিটের দাবীও তোলেন তিনি।
Saturday, June 29, 2019
রাজ্য সরকারের কারনেই পাহাড়ের গনতন্ত্রর এখন দমবন্ধ অবস্থা
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment